রমাদান বিষয়ক লেকচার কালেকশন

রমাদান মাস উপলক্ষ্যে এর মাসআলা-মাসায়িল, গুরুত্ব ও উদযাপনের পদ্ধতি নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক আয়োজনে যুক্ত হচ্ছে অডিও লেকচার কালেকশন। রমযান উপলক্ষে দেশের ও দেশের বাইরের বিখ্যাত আলেম-উলামাদের নিয়ে আমাদের বিশেষ লেকচার কালেকশন। এগুলো শুধু রমাদান বিষয় নয়, সেই সাথে এর সাথে জড়িত ইতিকা’ফ, তারাবীহ, উমরাহ, রমযানের প্রস্তুতি, রমযানের পর কী করণীয়, ইফতার, সাহরী, লাইলাতুল ক্বাদর নিয়েই এই লেকচার কালেকশন। বিস্তারিত…


ঈদুল ফিতরঃ তাৎপর্য ও করণীয়

- মুহাম্মাদ কাবীরুল ইসলাম

ভূমিকাঃ

আনন্দ উচ্ছলতায় ভরা, ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা ও সহমর্মিতার অম্লান আলোকমালায় সুশোভিত ‘ঈদুল ফিতর’ মুসলমানদের অন্যতম আনন্দ উৎসব। প্রতিবছর মাহে রামাযানের পরে অনাবিল খুশির বার্তা নিয়ে আগমন করে ‘ঈদুল ফিতর’। ঘরে ঘরে বয়ে যায় খুশির বান। আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে ওঠে মুসলিম জাহান। স্বল্প সময়ের এই পার্থিব জীবনে ‘ঈদ’ একটি উপঢৌকনের মতই আসে। প্রতিদিনের ধরাবাঁধা জীবন-যাত্রার মধ্যে ঈদের দিনটি নতুন ব্যঞ্জনায় মুখরিত হয়। সেদিনের প্রত্যুষকে অন্যদিনের প্রত্যুষের চেয়ে ভিন্নতর মনে হয়। বিস্তারিত…


রমজানের শেষ দশকের ফজিলত ও তাৎপর্য

রমজানের শেষ দশকের ফজিলত ও তাৎপর্য

রমযানের শেষ দশ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। রাসূলুল্লাহ সা. এই দশ দিনে অক্লান্ত পরিশ্রম করতেন। বস্তুজগতের মায়ামোহের বাঁধন ছিঁড়ে তাকওয়ামুখী হৃদয় অর্জন ও আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের মুখ্য সময় হল মাহে রমযান। আর রমযানের শেষ দশ দিন হল তাকওয়া ও আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জনের শেষ সুযোগ। সে হিসেবে বর্ণনাতীত শ্রম দিতে হয় এই দিনগুলোতে।

হাদীসে এসেছে: উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা রা. বলেন, ‘রমযান মাসের শেষ দশকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এত বেশি ইবাদত করেছেন যা অন্য সময় করেননি।” (মুসলিম) তিনি আরো বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানের শেষ দশকে কোরআন তিলাওয়াত, নামায, যিক্র ও দোয়ার মাধ্যমে রাতযাপন করতেন। তারপর সেহরী খেতেন। আয়েশা (রা) থেকে আরেকটি হাদীসে এসেছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযানের শেষ দশকে রাত জেগে ইবাদত করতেন এবং পরিবারবর্গকেও জাগিয়ে দিতেন। খুব পরিশ্রম করতেন। এমনকি লুঙ্গি বেঁধে নিতেন।” (বুখারী ও মুসলিম) বিস্তারিত…


ইসলামী বই : যাকাতুল ফিতর ও উশর

যাকাতুল ফিতর ও উশর ইসলামের তৃতীয় স্তম্ভ যাকাতেরই দু’টি ভিন্ন অংশ বিশেষ। তাই এই দুটিও রাসূল (সা)-এর তরীকা অনুযায়ী আদায় করা বাঞ্জনীয়।

অথচ আমাদের সমাজে এ বিষয়ে অনেক ভুল-ভ্রান্তি ও বিদআতে জড়িত হয়ে গেছে। এই বইটিতে এই ইবাদাত সংকান্ত বিষয়গুলো সুন্দরভাবে ও সহজবোধ্যভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সবার বুঝার জন্য প্রশ্নোত্তর আকারে তুলে ধরা হয়েছে। সেই সাথে বিষয়গুলোর রেফারেন্সগুলো তুলে ধরা হয়েছে।  যেসব বিষয়ে ইখতিলাফ বা মতপার্থক্য রয়েছে সেগুলোর উভয় বর্ণনা উল্লেখ করার পর সে সংক্রান্ত বিষয়ে সঠিক দৃষ্টিকোণও তুলে ধরা হয়েছে।  আল্লাহ আমাদের রাসূলের সুন্নাত অনুযায়ী এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমল করার তাওফিক দিন। বিস্তারিত…


ঈদ উদযাপন: পথ ও পদ্ধতি

*ঈদ উদযাপন: পথ ও পদ্ধতি* লেখক: আবদুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক

*উপস্থাপনা: ঈদ শব্দের শাব্দিক অর্থ ফিরে আসা। এই দিন গুলি বার বার ফিরে আসে তাই তার নাম ঈদ রাখা হয়েছে।মুসলমানের আনন্দ উৎসবের দিনকে ঈদ বলা হয় যা মাত্র দুই দিন। একটি আসে দীর্ঘ ১ মাস রমযানের সিয়াম রাখার পরে যাকে ঈদুল ফিতর বলা হয়। অন্যটি আসে হজ্জের পবিত্র মাসে পিতা ইবরাহিম আঃ ও ছেলে ইসমাইল আঃ এর ঐতিহাসিক ত্যাগ ও ধৈর্যের কাহিনীর স্মরণে যাকে বলা হয় ঈদুল আযহা, যা এখন আমাদের দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেছে। বিভিন্ন জাতি ও ধর্মের বিভিন্ন উৎসবের দিন রয়েছে। যেমন হিন্দুদের দুর্গা পূজা, খ্রিষ্টানদের বড় দিন,বাঙ্গালীদের পহেলা বৈশাখ। প্রত্যেক জাতি তাদের উৎসবের দিনকে নিজ নিজ সংস্কৃতি অনুযায়ী পালন করার চেষ্টা করে। তেমনি ভাবে আল্লাহ কর্তৃক প্রদত্ত মুসলমানদের আনন্দের দিনও ইসলামী আদর্শ অনুযায়ী পালিত হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি মুসলমানরা এই দিনগুলিকে বিধর্মীদের আদর্শ অনুযায়ী ও তাদের কৃষ্টি কালচার মোতাবেক পালন করছে। যা খুবই দুঃখজনক ও আফসোসের। তাই আসুন আমরা দেখি পবিত্র কুরআন এবং হাদীস অনুযায়ী কিভাবে ঈদ উদযাপন করা যায়।

বিস্তারিত…


বিদায় মাহে রমজান… কিছু ভাবনা…

রচনায় :-  ইকবাল হুছাইন মাছুম

সম্মানিত ভ্রাতৃবৃন্দ, নিশ্চয় রমজান মাস নৈকট্য লাভ এবং গুনাহ থেকে পবিত্র হবার উত্তম সময়। এটি আপনাদের ও তাদের জন্য সাক্ষ্য হয়ে থাকবেযারা এ সময় নিজ কর্মসমূহ উত্তমরূপে সম্পাদন করে থাকে। যারা সৎ কর্ম সম্পাদন করার সুযোগ পেয়েছে তারা যেন আল্লাহ তাআলার প্রশংসা করে। এবং উত্তম প্রতিদানের সুসংবাদ গ্রহণ করে। নিশ্চয় আল্লাহ উত্তম কর্ম সম্পাদন কারীকে প্রতিদান দান করবেন। আর যে ব্যক্তি পাপ কাজ করে তার তওবা করা উচিত। কেননা যিনি তওবা করেন আল্লাহ তার তওবা কবুল করে থাকেন। বিস্তারিত…


সহীহ ফিকহুস সুন্নাহ (১ম খন্ড)

 ইসলামী জ্ঞানের নির্যাস হলো ফিকহ। মুসলিমদের জীবন চলার পূর্ণাঙ্গ বিধানগুলোর চুম্বক অংশ লিপিবদ্ধ থাকে ফিকহ। ফিকহুল ইসলামী রচিত হয় কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে। কিন্তু অধিকাংশ ফিকহ গ্রন্থ রচিত হয় কোন না কোন মাযহাবের ভিত্তিতে। এরফলে কুরআন সুন্নাহ পরিপন্থী বিষয়ও এতে থেকে যায় । এর ফলে সুন্নাহ অনুসরণকারীরা বিভ্রান্ত হয়। এই অসুবিধা দূর করতেই আবূ মালিক কামাল বিন আস-সাইয়্যিদ সালিম লিখেছেন ‘সহীহ ফিকহুস সুন্নাহ” যা নির্দিষ্ট কোন মাযহাবের আলোকে লেখা নয়। এটির অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো এটি দলীল ভিত্তিক এবং বিভিন্ন মাযহাবের উদ্ধৃতি উল্লেখ সাপেক্ষে রচিত। সেই সাথে আধুনিক আলেমগণ যেমন শাইখ নাসিরুদ্দীন আলবানী, শাইখ আব্দুল আযীয বিন বায, শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন প্রমুখ এর  ফিক্বহী পর্যালোচনাও যুক্ত করা হয়েছে। বইটি অনুবাদ করেছেন মাইনুল ইসলাম (মঈন)। এটি প্রকাশ করেছে সালাফী রিসার্চ ফাউন্ডেশন।

বইটির এই ১ম খন্ডের ১ম পর্বে ভূমিকা ও তাহারাত অধ্যায় আলোচিত হয়েছে। বিস্তারিত…


বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে স্রষ্টাকে ভুলে যাওয়া

লেখক: শাহ আব্দুল হান্নান

দার্শনিকভাবে দেখলে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছেআল্লাহকে ভুলে যাওয়া, স্রষ্টাকে ভুলে যাওয়া৷ যিনি আমাকে বানিয়েছেন তাঁকে ভুলেযাওয়া৷ আল্লাহ নিজেই বলেছেন: “ইয়া আইয়্যুহাল ইনসানু মা গার্রাকা বি রাব্বিকালকারিম” অর্থাৎ, হে মানুষ কিসে তোমাকে তোমার মহিমান্বিত রব সম্পর্কে উদাসীন করল? (৮২:৬ )

সত্যিকার অর্থেই বেশীর ভাগ মানুষ বাস্তবে স্রষ্টাকে ভুলে গিয়েছে৷ ইউরোপ-আমেরিকায় নাস্তিকের সংখ্যা অনেক৷ রাশিয়া পূর্বে অফিসিয়ালি নাস্তিক ছিল৷ এখনও সেখানে নাস্তিকতার হার কম নয়, বরং অনেক হবে৷ অন্যদিকে যারা বিশ্বাসী বলে দাবী করে তাদের মধ্যেও অনেকে সন্দেহবাদী (skeptic) ৷ অর্থাৎ বলবে না যে স্রষ্টা নেই, কিন্তু বাস্তবে স্রষ্টাকে স্মরণ করবে না বা তার আদেশ মেনে চলবে না৷ স্রষ্টাকে মেনে চলবে এরকম লোকের সংখ্যা খুব কম৷ বিস্তারিত…


ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকার পন্থা

রচনায় : সাঈফুদ্দীন বিলাল মাদানী
উম্মত ফিতনার বিপদ থেকে নিরাপদে থাকার কিছু বিষয়:

প্রথম: ফিতনার উসাসগুলো শুকানো এবং তার মাধ্যমসমূহ বন্ধ করা।

আর ফিতনার শুরুটা বিনষ্ট করা এবং এর পিছনে ছুটে এমন বোকাদের হা ধরে বিরত রাখা। কতই নাএকনিষ্ঠ মূর্খ ব্যক্তির ভাল নিয়ত তার অজ্ঞতার জন্য বিপর্যয় সৃষ্টি করে, যাসে ভাবতেই পারে না। আর উম্মতকে ফিতনায় ডুবিয়ে মারে যতিও সে ভাবে তার চাইতেবড় দয়ালু আর কেউ নেই। এ ছাড়া কতই না মুনাফেক তার জিভ দ্বারা ভক্ষণ করে এবংতার কথা দ্বারা ফিতনার আগুন জ্বালাই।
১. আল্লাহ তা‘য়ালা বলেন:

إِنَّ الَّذِينَ فَتَنُوا الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ ثُمَّ لَمْ يَتُوبُوا فَلَهُمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَلَهُمْ عَذَابُ الْحَرِيقِ
“যারা মুমিন পুরুষ ও নারীকে নিপীড়ন করেছে, অত:পর তওবা করেনি, তাদের জন্যে আছে জাহান্নামের শাস্তি, আর আছে দহন যন্ত্রণা।” [ সূরা বুরুজ: ১০]

বিস্তারিত…


য’ইফ ও জাল হাদীস সিরিজ ( ৪র্থ খন্ড )

উম্মাতের মাঝে জাল ও যইফ হাদীস এর কুপ্রভাব দূর করতে মুহাদ্দিসগণের প্ররিশ্রমের অন্ত নেই। আল্লাহর এই ওয়াহী সংরক্ষণ করতে তাঁরা পরিশ্রম করেছেন। তারা সহীহ ও যইফ হাদীসগুলোকে আলাদা করে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন যাতে আমরা যইফ হাদীসে উপর আমল করে বিভ্রান্ত না হই। এছাড়া যেন আমরা সহীহ হাদীসের উপর আমল করতে পারি। এরকমই একজন গত শতাব্দীর অন্যতম সেরা মুহাদ্দিস শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ)। তিনি যইফ ও জাল হাদীস সিরিজ নিয়ে “সিলসিলাতুল যইফাহ ওয়াল মাউযুআহ’ নামে হাদীস সিরিজ লিখেছেন। এই বইটিরই তৃতীয় খন্ড প্রকাশ বাংলায় প্রকাশিত হয়েছে। এই গ্রন্থটির প্রথম ও দ্বিতীয় ও তৃতীয় খন্ড ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছে।  আমরা এই সিরিজটির চতুর্থ খন্ড নিয়ে এসেছি। আলহামদুলিল্লাহ।

বইটির অনুবাদ করেছেন।  আবূ শিফা আকমাল হুসাইন বিন বাদীউযযামান। প্রকাশ করেছে তাওহীদ পাবলিকেশন্স। বিস্তারিত…