স্রষ্টার অস্তিত্ব

এক আস্তিক আলেমের সঙ্গে এক নাস্তিক পন্ডিতের তর্ক সভা হওয়ার কথা। সেখানে আস্তিক প্রমাণ করবেন, স্রষ্টা আছেন, আর নাস্তিক প্রমাণ করবে, তা নেই।

সভায় প্রচুর লোকের সমাগম ছিল। আস্তিক আলেম সভায় উপস্থিত হতে দেরি করছেন দেখে অনেকে ধারণা ক’রে বসল যে, তিনি হয়তো  স্রষ্টার অস্তিত্ব  প্রমাণ করতে পারবেন না।

তাঁর বাসা ছিল নদীর ওপাড়ে। এদিকে সভায় বড় উৎকণ্ঠার সাথে প্রতীক্ষা চলতে চলতে লোকেদের ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে যেতে লাগল।

ইতিমধ্যে তিনি এসে উপস্থিত হলেন। সকলে তাঁকে ভর্ত্সনা করতে লাগল। নাস্তিক বলল, ‘আসলে উনি স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারবেন না বিধায় দেরি ক’রে সভায় উপস্থিত হয়েছেন!’

আস্তিক বললেন, ‘ভাই সকল! আপনারা হয়তো জানেন। আমার বাড়ি নদীর ওপাড়ে। এ পাড়ে আসার জন্য যথাসময়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলাম। কিন্তু  নদীর ঘাটে এসে দেখি, কোন নৌকাওয়ালা নেই। তাই অপেক্ষা করতে করতে দেরি হয়ে গেল। অবশেষে কোন নৌকাওয়ালা পেলামও না। বহু অপেক্ষার পর দেখলাম, ঘাটের কাছে একটি বড় গাছ আপনা-আপনি পড়ে গেল। তারপর আপনা-আপনি পাটা তৈরি হল। আপনা-আপনি পাটাগুলি আপোসে জোড়া লেগে নৌকা তৈরি হয়ে গেল। তারপর ধীরে ধীরে পানিতে নেমে গেল। আমি তাতে চড়ে বসলাম। সেই নৌকা মাঝি-মাল্লা ছাড়া এপাড়ে পার ক’রে দিল। আর তারপরই আমি আপনাদের সম্মুখে উপস্থিত হতে পেরেছি।’ বিস্তারিত…


স্বলাতে মুবাশ্‌শির (পর্ব ১)

রচনায় : শাইখ আব্দুল হামীদ ফাইযী

ভূমিকা

إِنَّ الْحَمْدَ للهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِيْنُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ وَنَعُوْذُ بِاللهِ مِنْ شُرُوْرِ أَنْفُسِنَا وَسَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا، مَنْ يَّهْدِهِ اللهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْيُّضْلِلْ فَلاَ هَادِىَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنْ لاَّ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُهُ وَرَسُوْلُه. {يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُواْ رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُم مِّن نَّفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالاً كَثِيرًا وَنِسَاء وَاتَّقُواْ اللّهَ الَّذِي تَسَاءلُونَ بِهِ وَالأَرْحَامَ إِنَّ اللّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا} {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ اتَّقُواْ اللّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلاَ تَمُوتُنَّ إِلاَّ وَأَنتُم مُّسْلِمُونَ} {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا، يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَن يُطِعْ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا}

নামায ইসলামের অন্যতম প্রধান ইবাদত। দ্বীনের দ্বিতীয় স্তভ। এ ইবাদত কিভাবে শুদ্ধ হবে -সে চিন্তা প্রত্যেক নামাযীর। মুসলিম মাত্রই জানা দরকার যে, যে কোনও ইবাদত ও আমল কবুল হয় একটি ভিত্তিতে। আর সে ভিত্তি হল ‘তাওহীদ’। সুতরাং যার তাওহীদ নেই, তার নামায নেই। সে নামাযী হলেও তার নামায মকবুল নয় আল্লাহর দরবারে। পক্ষান্তরে প্রত্যেক ইবাদত ও আমল কবুল হয় দুটি মৌলিক শর্ত পালনের মাধ্যমে :
(১) ইখলাস (সে কাজ কেবল মাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে হতে হবে। আরকারো উদ্দেশ্যে, অন্য কোন স্বার্থে সে কাজ করলে, তা আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য নয়)।
(২) রসূল (সা.) এর অনুসরণ। তাঁর নির্দেশ ব্যতীত অন্য কোন তরীকায় বা পদ্ধতিতে সে আমল  করলে, তা আল্লাহর কাছে গ্রহণীয় নয়। বিস্তারিত…


বড় হয়ে কি হবো ?

খোকন মায়ের কোলে বসে ছোট মুখে বড় বড় প্রশ্ন করছিল। বড় হলে আমি কী হব? কী করব? তবে যা হব, ভালো হব। তার পরিমন্ডলে নানা মানুষের নানা কর্ম দেখে তার শিশু-মনেও শুরূ হয়েছিল  ভবিষ্যতের পরিকল্পনা।
খোকন : মা! আমি বড় হলে ডাক্তার হব, মানুষের সেবা করব এবং বিনা পয়সায় গরীবদের  চিকিৎসা করব।
মা : আমার মনে হয়, তা তুমি পারবে না বাবা! কারণ, বড় হয়ে তোমার মনেও অর্থের লোভ  আসবে। আর তখন মানুষের সেবার কথা ভুলে যাবে। গরীবদের অসহায়তার কথা বিস্মৃত হবে।  অধিক অর্থোপার্জনের জন্য ওষুধে ভেজাল দেবে।
খোকন : তাহলে আমি মাস্টার হব এবং ভালো মানুষ তৈরী করার জন্য ছেলে পড়াব।
মা : তাও হয়তো তুমি পারবে না সোনা! কারণ, মাস্টার হওয়ার পর তুমি তোমার দায়িত্বের কথা ভুলে যাবে। মানুষ গড়ার কথা বিস্মৃত হয়ে নিজের বিলাসী জীবন গড়ায় ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
খোকন : তাহলে আমি বড় ব্যবসায়ী হব। অনেক লাভ করে গরীবদেরকে অর্থদান করব। বিস্তারিত…


হজ্জের প্রকারভেদ

লেখক : মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক

সম্পাদক: নুমান বিন আবুল বাশার

হজ তিন প্রকার

তামাত্তু ।কেরান ।ইফরাদ

তামাত্তু হজ

শাওয়াল, যিলকদ ও জিলহজ এ তিনটি হল হজের মাস। হজের মাসসমূহে পৃথকভাবে প্রথমে উমরা ও পরে হজ আদায় করাকে তামাত্তু হজ বলে। অর্থাৎ ১ লা শাওয়াল থেকে উকুফে আরাফার পূর্বে (৯ জিলহজ), যেকোনো মুহূর্তে উমরা আদায় করে হালাল হয়ে যাওয়া ও উকুফে আরাফার পূর্বে নতুন করে হজের এহরাম বাঁধা। এবং হজের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পাদন করা। যারা হাদী সঙ্গে করে মক্কায় গমন করে না—বর্তমানে বহিরাগত হাজিদের কেউই হাদীর পশু সঙ্গে নিয়ে আসে না—তাদের জন্য তামাত্তু হজই উত্তম। কারও কারও মতে সর্বাবস্থায় তামাত্তু হজ উত্তম। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিদায় হজের সময় তাঁর সঙ্গে থাকা সাহাবাদের মধ্যে যারা হাদীর জন্তু সঙ্গে নিয়ে আসেননি তাদের সবাইকে তামাত্তু করার পরামর্শ দিয়েছেন, এবং নিজেও এই বলে কামনা ব্যক্ত করেছেন যে, যদি এ বিষয়টি পূর্বে প্রতীয়মান হত তাহলে হাদীর জন্তু সঙ্গে আনতাম না, আর যদি হাদী আমার সাথে না থাকত, তবে হালাল হয়ে যেতাম।[1] বিস্তারিত…


হজের ফজিলত ও তাৎপর্য

লেখক :- মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক

সম্পাদনা :- নুমান বিন আবুল বাশার

মাবরুর হজের প্রতিদান জান্নাত ভিন্ন অন্য কিছু নয়।[i] যে হজ করল ও শরিয়ত অনুমতি দেয় না এমন কাজ থেকে বিরত রইল, যৌন-স্পর্শ রয়েছে এমন কাজ ও কথা থেকে বিরত থাকল, সে তার মাতৃ-গর্ভ হতে ভূমিষ্ট ‘হওয়ার দিনের মতো পবিত্র হয়ে ফিরে এল।[ii] ‘আরাফার দিন এতো সংখ্যক মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন যা অন্য কোনো দিন দেন না। এদিন আল্লাহ তাআলা নিকটবর্তী হন ও আরাফার ময়দানে অবস্থানরত হাজিদেরকে নিয়ে তিনি ফেরেশতাদের সাথে গর্ব করেন, ও বলেন ‘ওরা কী চায়?।’[iii]

সর্বোত্তম আমল কী এ ব্যাপারে এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলেন। উত্তরে বললেন, ‘অদ্বিতীয় আল্লাহর প্রতি ঈমান, ও তারপর মাবরুর হজ যা সকল আমল থেকে শ্রেষ্ঠ। সূর্য উদয় ও অস্তের মধ্যে যে পার্থক্য ঠিক তারই মত।’[iv]

অন্য এক হাদিসে এসেছে, ‘উত্তম আমল কি এই মর্মে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করা হল। উত্তরে তিনি বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান। বলা হল, ‘তারপর কী’? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ। বলা হল তারপর কোনটি? তিনি বললেন, মাবরুর হজ।[v] বিস্তারিত…


ছোটদের ইসলামিক সায়েন্স সিরিজ

শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যত। তাদের সুশিক্ষিত ভাবে তুলে গড়ে তোলা আমাদের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। শিশুদের ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করার বিকল্প নেই। ইসলামী শিক্ষা তাদের পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেব গড়ে তুলতে পারে। তাদের সহজভাবে তাওহীদ, শিরক, সালাত, আদব, মুহাম্মাদ (সা)-এর জীবনী, সাহাবীদের সংক্ষিপ্ত জীবনী, চরিত্র, পিতামাতার প্রতি কর্তব্য, নবীদের জীবনী, প্রয়োজনীয় দু’আ, কুরআন হাদীস থেকে শিক্ষা প্রভৃতি শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। এই প্রয়োজনীয়তাকে উপলব্ধি করেই কানাডা প্রবাসী স্বামী-স্ত্রী “আমীর জামান ও নাজমা জামান” ছোটদের ইসলামিক সাইয়েন্স নামে সিরিজে একডজন বই প্রকাশ করেছেন। বইগুলোতে সহজভাবে বিষয়গুলি তুলেধরা হয়েছে যাতে শিশুরা বুঝতে পারে। সেসব বইগুলোরই পূর্ণাঙ্গ কালেকশন। বইগুলো ১ম-৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিশুদের জন্য লিখিত।  আল্লাহ তাদের কবুল করুন। সবার প্রতি আহবান আসুন বইগুলো প্রিন্ট করে শিশুদের মাঝে বিতরণ করি। বিস্তারিত…


হজের প্রস্তুতি (অডিও লেকচারসহ)

রচনায় : মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক

সম্পাদনায় : নুমান বিন আবুল বাশার

মানসিক প্রস্তুতি

১. প্রথমে আপনার নিয়ত পরিশুদ্ধ করুন। কেননা নিয়তের ওপরই আমল নির্ভরশীল। হাদিসে এসেছে, ‘নিশ্চয়ই নিয়তের ওপর আমল নির্ভরশীল’[i]। তাই লোক-দেখানো, হজ করলে সমাজে মান-মর্যাদা বাড়বে, নামের সাথে আলহাজ্ব লেখা যাবে, নির্বাচনি লড়াইয়ে জনতাকে অধিক পরিমাণে প্রভাবিত করা যাবে ইত্যাদি ভাবনা থেকে নিজেকে পবিত্র করুন। এসব মনোবৃত্তিকে ‘রিয়া’ বলা হয়। রিয়া মারাত্মক অন্যায় যাকে হাদিসে ছোট শিরক বলা হয়েছে।[ii] ছোট শিরক বুকে ধারণ করে হজ করলে হজ কবুল হবে না কথাটি ভালোভাবে স্মরণ রাখুন। তাই রিয়া থেকে মুক্ত থাকুন ও আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন তিনি যেন রিয়া-মুক্ত হজ পালনের তাওফিক দান করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও এরূপ প্রার্থনা করতেন। এক বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে বলেছেন,

اللهم حجة لا رياء فيها ولا سمعة .

-হে আল্লাহ! এমন হজের তাওফিক দাও যা হবে রিয়া ও সুনাম কুড়ানোর মানসিকতা হতে মুক্ত।[iii] বিস্তারিত…


মৃত ব্যক্তির জন্য যেসব কাজ করা নাজায়েয ও বিদ’আত

ইতিপূর্বে ছহীহ হাদীছের ভিত্তিতে মৃত ব্যক্তির জন্য জীবিতদের করণীয়সমূহ শিরোনামে যেসব করণীয় উপস্থাপন করা হয়েছে তা মৃত ব্যক্তিকে দাফন করা পর্যন্ত জীবিতদের করণীয় এবং রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) -এর সুন্নাত। এসব সুন্নাত ছাড়া কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর থেকে দাফন করা ও দাফনোত্তর যতসব কাজ বিভিন্ন এলাকা ওঅঞ্চল ভিত্তিক কালক্রমে নতুন নতুন উদ্ভাবিত হয়েছে তা সবই বিদ’আত ও নাজায়েয ।

যেমন:

  1. মৃত ব্যক্তির জন্য মাগফিরাত কামনার নামে তাহলীল পড়ানো,
  2. কুরআন খতম পড়ানো মত ব্যক্তির চার পাশে বসে কুরআন পাঠ করা
  3. গোসলের জন্য গরম পানি দেওয়ার জন্য পাক ঘরের চুলা বাদ দিয়ে বাইরে চুলা করেগরম পানি দেয়া
  4. মৃত ব্যক্তিকে যেখানে গোসল দেওয়া হয় সে স্থান ৪দিন কিংবা ৪০দিন পর্যন্ত বেড়া দিয়ে সংরক্ষণ করা এবং রাতের বেলায় সেখানে মোম‌, হ্যারিকেন বা বৈদ্যুতিক বাতি দিয়ে আলোকিত করে রাখা,
  5. জানাযা নিয়ে যাওয়ার সময় আল্লাহু রাব্বী, মুহাম্মাদুন নবী কিংবা কালিমা শাহাদাৎ পাঠ করা,
  6. জানাযা কবর স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় খাটিয়ার উপর আগর বাতি জ্বালানো এবং জানাযার যাত্রীদের উপর গোলাপ জল ছিটানো, বিস্তারিত…

হজ্জ সফরে সহজ গাইড

হজ্জ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বুনিয়াদি স্তম্ভ। ইসলামের এই মহান ইবাদাতটি পালন করার সময় আমরা এর নিয়মনীতি অনুসরণ না করার ফলে বেশ কিছু বিভ্রান্তি লক্ষ্য করা যায়। সেই সাথে এ সম্পর্কে ভালো কোন গাইড না থাকায় আমরা অনেক ক্ষেত্রেই বিড়ম্বনায় পড়ি। এছাড়া আমরা ভালোমতো না জানায় হাজ্জের কর্মগুলি সুন্দরভাবে করতে পারি না। কেউ কেউ এক্ষেত্রে অন্যে দেখে আমল করতে গিয়ে বিদআতে পর্যবসিত হন। হজ্জ করার সময় একটি আধুনিক, সমসাময়িক ও সহিহ হজ্জ গাইডের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেই লেখক মো: মোশফিকুর রহমান এই বইটি লিখেছেন। যা হজ্জ সফরে প্রত্যেক ব্যক্তির নিকট থাকা বাঞ্জনীয়। বাংলা ভাষায় ছবিসহ এবং এমন তথ্যপূর্ণ হাজ্জ গাইড এই প্রথম। আল্লাহ তাআলা লেখককে তার উত্তম প্রতিদান। দিক। বইটি প্রকাশ করেছে তাওহীদ প্রকাশনী। বইটি বিনামূল্যে বিতরণ করার জন্য। কেউ আগ্রহী হয়ে কোনরুপ পরিবর্তন না করে বইটি প্রচার করতে পারেন। বিস্তারিত…