কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা চোখ ভালো রাখবেন যেভাবে

কম্পিউটারে কাজ করার সময় মাঝে মাঝে চোখের পলক ফেলা ভালো উপায়। এতে করে চোখে আদ্রতার পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে এবং শুষ্কতা সৃষ্টি হয় না। অথচ কম্পিউটার স্ক্রিনের কারণে আমরা চোখের পলক কম ফেলি, এমনটি চোখের জন্য ক্ষতিকর। * যথাযথ আলোর পরিবেশে কম্পিউটারে কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। দিনেরবেলায় কম্পিউটার ব্যবহারের সময় মনিটরের উল্টোদিকে মনিটরে আলো প্রতিফলিত হয় এমন দরজা জানালা বা লাইট বন্ধ রাখুন। কম্পিউটারটি এমন স্থানে ব্যবহার করুন যেখান থেকে মনিটরে আলোর প্রতিফলন না ঘটে। আবার পুরোপুরি অন্ধকার ঘরেও কম্পিউটার চালাবেন না।

* কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সব সময় পর্দার সঙ্গে আই-লেভেল উচ্চতার সামঞ্জস্যতা রাখতে হবে। বিষয়টি চোখের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

(more…)

More

শূকরের গোশত যে কারণে হারাম

রচনায় : আবুল কালাম আযাদ আনোয়ার

সম্পাদনা : আবু শুআইব মুহাম্মাদ সিদ্দীক

 

মুসলমানরা শূকরের গোশত কেন খায় না, এর সরাসরি জবাব হল, আল্লাহ তাআলা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় তা হারাম করেছেন তাই মুসলিম সম্প্রদায় তা হারাম বলে জানে এবং তা ভক্ষণ-ব্যবহার থেকে বিরত থাকে।

আল কুরআনে ইরশাদ হয়েছে:

قُل لَّا أَجِدُ فِي مَا أُوحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا عَلَىٰ طَاعِمٍ يَطْعَمُهُ إِلَّا أَن يَكُونَ مَيْتَةً أَوْ دَمًا مَّسْفُوحًا أَوْ لَحْمَ خِنزِيرٍ فَإِنَّهُ رِجْسٌ أَوْ فِسْقًا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ ۚ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَإِنَّ رَبَّكَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

(বল, আমার নিকট যে ওহী পাঠানো হয়, তাতে আমি আহারকারীর উপর কোনো হারাম পাই না, যা সে আহার করে। তবে যদি মৃত কিংবা প্রবাহিত রক্ত অথবা শূরকরের গোশত হয়- কারণ নিশ্চয় তা অপবিত্র কিংবা এমন অবৈধ যা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য যবেহ করা হয়েছে। তবে যে ব্যক্তি নিরুপায় হয়ে অবাধ্য ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়ে তা গ্রহণে বাধ্য হয়েছে, তাহলে নিশ্চয় তোমার রব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু ) [ সূরা আল আনআম: ১৪৫]

শূকরের গোশত হারাম হওয়ার ব্যাপারে কুরআন-সুন্নাহয় বিস্তারিত   কোনো ব্যাখ্যা দেয়া হয় নি। তবে এতটুকু বলা হয়েছে যে, এটা পঙ্কিল – রিজস।

শরীয়ত ও সুস্থ প্রকৃতি যে বস্ত্তটিকে নিকৃষ্ট ও পঙ্কিল বলে জ্ঞান করে তাকেই রিজ্স বলা হয়। আল কুরআন শূকরকে পঙ্কিল বলে আখ্যায়িত করেছে, হারাম হওয়ার জন্য এতটুকু কারণই যথেষ্ট। (more…)

More

তাহকীক সুনান ইবনে মাজাহ সম্পূর্ণ ডাউনলোড

সুনান ইবনে মাজাহ প্রসিদ্ধ ছয়টি হাদীস গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম। হাদীস শাস্ত্রে ইমাম ইবনে মাজাহর অন্যতম অবদান এটি। ইমাম ইবন মাজাহ (রহ) সারাজীবন গভীর সাধনা, নিরবচ্ছিন্ন অধ্যবসায় ও ঐকান্তিক অভিনিবেশের মাধ্যমে হাদীস সংগ্রহ ও লিপিবদ্ধ করেন। এ গ্রন্থে অনেক মূল্যবান হাদীস রয়েছে যা অন্য কুতুবে সিত্তাহতে নেই। গ্রন্থটিতে ইমাম ইবনে মাজাহ ফিকহী মাসআলার তরতীব অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছেন।  হাদীসের বিন্যাস পদ্ধতি অনুপম ও অনন্য সাধারণ। সেই সাথে কোন পুন:পুন: হাদীস উল্লেখ করা হয়নি। এর বাব (পরিচ্ছেদ) গুলো দীর্ঘ নয়। এই গ্রন্থটির পূর্ণাঙ্গ তাহকীক সহ অনুবাদ ও প্রকাশ করেছে তাওহীদ পাবলিকেশন্স। সবগুলো খন্ড একত্রিত করে জিপ (zip) আকারে ডাউনলোড লিংক দেয়া হয়েছে।

(more…)

More

তাহকীক সুনান ইবনে মাজাহ ১ম খন্ড ডাউনলোড

সুনান ইবনে মাজাহ প্রসিদ্ধ ছয়টি হাদীস গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম। হাদীস শাস্ত্রে ইমাম ইবনে মাজাহর অন্যতম অবদান এটি। ইমাম ইবন মাজাহ (রহ) সারাজীবন গভীর সাধনা, নিরবচ্ছিন্ন অধ্যবসায় ও ঐকান্তিক অভিনিবেশের মাধ্যমে হাদীস সংগ্রহ ও লিপিবদ্ধ করেন। এ গ্রন্থে অনেক মূল্যবান হাদীস রয়েছে যা অন্য কুতুবে সিত্তাহতে নেই। গ্রন্থটিতে ইমাম ইবনে মাজাহ ফিকহী মাসআলার তরতীব অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছেন।  হাদীসের বিন্যাস পদ্ধতি অনুপম ও অনন্য সাধারণ। সেই সাথে কোন পুন:পুন: হাদীস উল্লেখ করা হয়নি। এর বাব (পরিচ্ছেদ) গুলো দীর্ঘ নয়। এই গ্রন্থটির পূর্ণাঙ্গ তাহকীক সহ অনুবাদ ও প্রকাশ করেছে তাওহীদ পাবলিকেশন্স। (more…)

More

সলাতে মুবাশ্‌শির (পর্ব ২২)

রচনায় : আব্দুল হামীদ ফাইযী

ইস্তিফতাহ্‌র দুআ

নবী মুবাশ্‌শির (সাঃ) নামাযে তাঁর দৃষ্টি অবনত করে সিজদার স্থানে নিবদ্ধ রাখতেন। (বায়হাকী,হাকেম, মুস্তাদরাক, ইরওয়াউল গালীল, আলবানী ৩৫৪ নং) নামাযের প্রারম্ভে তিনি বিভিন্ন রুপে আল্লাহর প্রশংসা ও স্তুতি বর্ণনা করতেন এবং প্রার্থনা করতেন। পরন্তু নামায ভুলকারী সাহাবীকেও তিনি বলেছিলেন, “কোন ব্যক্তিরই নামায ততক্ষণ পর্যন্ত সম্পূর্ণ হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তকবীর দিয়েছে, আল্লাহ আয্‌যা অজাল্লার প্রশংসা ও স্তুতি বর্ণনা করেছে এবং যথাসম্ভব কুরআন পাঠ করেছে।” (আবূদাঊদ, সুনান ৮৫৭ নং,হাকেম, মুস্তাদরাক)

এই অবস্থায় তিনি বিভিন্ন সময় ও নামাযে বিভিন্ন দুআ পড়েছেন। (more…)

More

পরকাল ভাবনা

মূল : মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক

সংকট

আধুনিক বিশ্বে মানুষের সবচেয়ে বড় গুরুত্বের বিষয় কোনটি ? কোন বৈঠকে এ-প্রশ্ন করা হলে একেক জন একেক উত্তর দিবেন; কেউ বলবেন, ব্যাপকবিধ্বংসী অস্ত্রের উৎপাদন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মজুদ কীভাবে ঠেকানো যায় এটাই আধুনিক বিশ্বের সমধিক গুরুত্বের বিষয়। কেউ বলবেন, জনসংখ্যার বিস্ফোরণ প্রতিহত করাই বর্তমান যুগের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আবার কেউ বলবেন, প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠ বন্টন নিশ্চিত করণই আজকের বড় সমস্যা। এর অর্থ, মানুষ এখনো অন্ধকারে রয়েছে তার পরিচয় বিষয়ে; আবিষ্কার করতে পারেনি নিজের অস্তিত্বের ধরন-ধারণ; পারলে ভিন্নরকম হত সবারই উত্তর। সবাই বলতো, সবচেয়ে বড় সমস্যা আধুনিক মানুষের পরিচয় বিস্মৃতি। মানুষ তার মূল পরিচয় ভুলে গেছে বেমালুম; নশ্বর ইহজগৎ ছেড়ে একদিন চলে যেতে হবে অবিনশ্বর পরজগতে, যেখানে তাকে দাঁড়াতে হবে প্রতিপালকের সামনে যাপিত জীবনের হিসেব দিতে, এ-বিষয়টি বিদায় নিয়েছে তার মস্তিষ্কের সচেতন অংশ থেকে; অন্যথায় এ-খন্ডকালিক অস্তিত্বের জগতকে নয়, অনন্ত পরকালকে, স্রষ্টার মুখোমুখী হওয়াকে, স্বর্গ-নরকের সম্মুখীনতাকে সবচেয়ে বড় বিষয় বলে মনে করতো সে। আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন :

بل تؤثرون الحياة الدنيا والآخرة خير وأبقى. سورة الأعلى : 16-17

কিন্তু তোমরা পার্থিব জীবনকে পছন্দ করে থাকো। অথচ আখেরাতের জীবনই উত্তম ও চিরস্থায়ী। (সূরা আ’লা ১৬-১৭) (more…)

More

সলাতে মুবাশ্‌শির (পর্ব ২১)

রচনায় : আবদুল হামীদ ফাইযী

কিয়ামের বিবরন

আল্লাহর রসূল (সা) ফরয ও সুন্নত নামায দাঁড়িয়েই পড়তেন। মহান আল্লাহ বলেন,

 حَافِظُوْا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلاَةِ الْوُسْطى وَقُوْمُوْا للهِ قَانِتِيْنَ

অর্থাৎ, তোমরা নামাযসমূহের প্রতি এবং বিশেষ করে মধ্যবর্তী (আসরের) নামাযের প্রতি যত্নবান হও। আর আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিনীতভাবে দন্ডায়মান হও। (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত নং- ২৩৮)

অবশ্য অসুস্থ বা অক্ষম হলে বসে এবং মুসাফির হলে সওয়ারীর উপর বসে নামায পড়েছেন।

ইমরান বিন হুসাইন (রাঃ) বলেন, আমার অর্শ রোগ ছিল। আমি (কিভাবে নামায পড়ব তা) আল্লাহর রসূল (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “তুমি দাঁড়িয়ে নামায পড়। না পারলে বসে পড়। তাও না পারলে পার্শ্বদেশে শুয়ে পড়।” (বুখারী, আবূদাঊদ, সুনান, আহমাদ, মুসনাদ, মিশকাত ১২৪৮ নং)

সুতরাং সক্ষম হলে ফরয নামাযে কিয়াম (দাঁড়িয়ে পড়া) ফরয। (আলমুমতে’, শারহে ফিক্‌হ, ইবনে উসাইমীন ৪/১১২) (more…)

More

সলাতে মুবাশ্‌শির (পর্ব ২০)

রচনায় : আব্দুল হামীদ ফাইযী

নামাযের নিয়ত

যে কোনও আমলের জন্য নিয়ত জরুরী। নিয়ত ছাড়া কোন ইবাদত বা আমল শুদ্ধ হয় না। মহানবী (সাঃ) বলেন, “আমলসমূহ তো নিয়তের উপরেই নির্ভরশীল।” (বুখারী, মুসলিম,  মিশকাত ১নং)

ইমাম নওবী (রহঃ) বলেন, নিয়ত বলে মনের সংকল্পকে। (যার স্থল হল হৃদয় ও মস্তিষ্ক।) সুতরাং নামাযী নির্দিষ্ট নামাযকে তার মন-মস্তিষ্কে উপস্থিত করবে। যেমন যোহ্‌র, ফরয ইত্যাদি নামাযের প্রকার ও গুণ মনে মনে স্থির করবে। অতঃপর প্রথম তকবীরের সাথে সাথে (মন-মস্তিষ্কে উপস্থিতকৃত কর্ম করার) সংকল্প করবে। (রওযাতুত ত্বালেবীন ১/২২৪, সিফাতু স্বালাতিন নাবী (সাঃ), আলবানী ৮৫পৃ:)

এই সংকল্প করার জন্য নির্দিষ্ট কোন শব্দ শরীয়তে বর্ণিত হয় নি। আরবীতে বাঁধা মনগড়া নিয়ত বা নিজ ভাষায় কোন নির্দিষ্ট শব্দাবলী দ্বারা রচিত নিয়ত মুখে উচ্চারণ করা বা আওড়ানো বিদআত। (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ্‌, সঊদী উলামা-কমিটি ১/৩১৪, ৩১৫) সুতরাং নিয়ত করা জরুরী, কিন্তু পড়া বিদআত। (more…)

More

সলাতে মুবাশ্‌শির (পর্ব ১৯)

রচনায় : আব্দুল হামীদ ফাইযী

ক্বিবলার বিধান

সমগ্র মুসলিম-জাতির জন্য রয়েছে একই ক্বিবলার বিধান। মহান আল্লাহ বলেন,

ومِنْ حَيْثُ خَرَجْتَ فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ، وَحَيْثُ مَا كُنْتُمْ فَوَلُّوْا وَجُوْهَكُمْ شَطْرَه।

অর্থাৎ, আর তুমি যেখান হতেই বের হও না কেন, মসজিদুল হারাম (কা’বা শরীফের) দিকে মুখ ফিরাও এবং তোমরা যেখানেই থাক না কেন, ঐ (কা’বার) দিকেই মুখ ফিরাবে। (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত নং-১৫০)

আল্লাহর নবী (সাঃ) যখন নামাযে দাঁড়াতেন, তখন (ফরয-নফল সকল নামাযেই) কা’বা শরীফের দিকে মুখ ফিরাতেন। (ইরওয়াউল গালীল, আলবানী ২৮৯নং) তিনি এক নামায ভুলকারীর উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, “যখন নামাযে দাঁড়াবার ইচ্ছা করবে তখন পরিপূর্ণরুপে ওযু কর। অতঃপর ক্বিবলার দিকে মুখ করে তকবীর বল—।” (বুখারী, মুসলিম,  মিশকাত ৭৯০নং) (more…)

More