স্বলাতে মুবাশ্‌শির (পর্ব ১২)

রচনায় : আব্দুল হামীদ ফাইযী

আযানের বিশেষ নিয়মাবলী

১। আযান যেন তার শব্দবিন্যাসের বিপরীত না হয়। যার পর যে বাক্য পরস্পর সজ্জিত আছে ঠিক সেই পর্যায়ক্রমে তাই বলা জরুরী। সুতরাং -উদাহ্‌রণস্বরুপ- যদি কেউ حيَّ عَلَى الصَّلاَة  বলার আগে حيَّ عَلَى الْفَلاَح বলে ফেলে, তাহলে পুনরায় حيَّ عَلَى الصَّلاَة বলে যথা অনুক্রমে আযান শেষ করবে। (ফাতাওয়া ইবনে উষাইমীন ১/৩৪৮)

২। একটা বাক্য বলার পর অন্য বাক্য বলতে যেন বেশী দেরী না হয়। মাইক ইত্যাদি ঠিক করতে গিয়ে বা অন্য কোন কারণে বিরতি অধিক হলে পুনরায় শুরু থেকে আযান দিতে হবে।

৩। আযান যেন নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পূর্বে না হয়। যেহেতু ওয়াক্তের পূর্বে আযান যথেষ্ট নয়। (মুগনী ১/৪৪৫) পূর্বে দিয়ে ফেললে ওয়াক্ত হলে পুনরায় আযান দেওয়া জরুরী। (আউনুল মা’বূদ ২/১৬৬) একদা হযরত বিলাল (সাঃ) (ফজরের) আযান ফজর উদয় হওয়ার আগেই দিয়ে ফেলেছিলেন। মহানবী (সাঃ) তাঁকে আদেশ করলেন যে, তিনি যেন ফিরে গিয়ে বলেন, ‘শোনো! বান্দা ঘুমিয়েছিল। শোনো! বান্দা ঘুমিয়েছিল।’ (অর্থাৎ ঘুমের ঘোরে সময় বুঝতে পারিনি।) (আবূদাঊদ, সুনান ৫৩২নং) বিস্তারিত…


আল-ফিকহুল আকবার বঙ্গানুবাদ ও তার ব্যাখ্যা

ইমাম আবু হানীফা (রহ) রচিত আল-ফিকহুল আকবার বঙ্গানুবাদ ও তার ব্যাখ্যা

রচনায় : ড. খোন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর

প্রকাশনায়: আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট

চারজন প্রসিদ্ধ ইমামের মধ্যে একজন ইমাম আবু হানীফা (রহ)’র লিখিত কিতাব হিসেবে প্রসিদ্ধ “আল-ফিকহুল আকবার”। এটি ছোট বই হলেও ঈমান ও আকীদার উপর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তাত্পর্য বহন করে। আমাদের সমাজে ফিকহে হানাফীর অনেক অনুসারী হলেও আক্বীদা বিষয়ে আমরা তাঁর মতের সাংঘর্ষিক মত পোষণ করে থাকি। এমনকি অনেকে বিভিন্ন তরীকা অবলম্বন করে থাকি। অথচ ইমাম আবু হানীফার (রহ) ঈমান, আকীদা, সুন্নাত, বিদআত সম্পর্কে কি ধারণা ছিলো তা জানি না। অথচ ইমাম আবু হানীফা (রহ) এই বইটিতে ফিকহ সম্পর্কে আলোচনাই করেননি। বরং তিনি আকীদা সম্পর্কে লিখেছেন। অথচ নাম দিয়েছেন সবচেয়ে বড় ফিকহ অর্থ্যাৎ “আল-ফিকহুল আকবার”। এতে বোঝা যায়, ফিকহের চেয়ে বড় হলো আকীদা। আর আকীদাই সবচেয়ে বড় ফিকহ। এই গ্রন্থে অনুবাদ ও ব্যাখ্যাকারী ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর আরও কয়েকটি বইয়ের সাহায্য নিয়ে বঙ্গানুবাদের পাশাপাশি ব্যাখ্যাও সংকলন করেছেন। তিনি আল-আকীদাহ আত-তাহাব্যিয়াহ, আল-ই’তিকাদ গ্রন্থে ইমাম আবু হানীফার আকীদা বিষয়ক বক্তব্যগুলোও যুক্ত করেছেন। এছাড়া তারাবীহ, রিয়া, উজব, কিয়ামতের আলামত, রাসূলুল্লাহ (সা)-এর সন্তানদের পরিচয় ইত্যাদি অনেক বিষয় তিনি আলোচনা করেছেন। বিস্তারিত…


স্বলাতে মুবাশ্‌শির (পর্ব ১১)

রচনায় :- আব্দুল হামীদ ফাইযী

আযান ও তার মাহাত্ম

আযান ফরয এবং তা দেওয়া হল ফরযে কিফায়াহ্‌। আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন, “নামাযের সময় উপস্থিত হলে তোমাদের একজন আযান দেবে এবং তোমাদের মধ্যে যে বড় সে ইমামতি করবে।” (বুখারী ৬২৮নং, মুসলিম, নাসাঈ, সুনান, দারেমী, সুনান)

আযান ইসলামের অন্যতম নিদর্শন ও প্রতীক। কোন গ্রাম বা শহরবাসী তা ত্যাগ করলে ইমাম (রাষ্ট্রপ্রধান) তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করবেন। যেমন মহানবী (সাঃ) অভিযানে গেলে কোন জনপদ থেকে আযানের ধ্বনি শুনলে তাদের উপর আক্রমণ করতেন না। (বুখারী ৬১০ নং, মুসলিম, সহীহ)

সফরে একা থাকলে অথবা মসজিদ খুবই দূর হলে এবং আযান শুনতে না পাওয়া গেলে একাই আযান ও ইকামত দিয়ে নামায পড়া সুন্নত। (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ্‌, সঊদী উলামা-কমিটি ১/২৫৫)

আযান দেওয়ায় (মুআযযেনের জন্য) রয়েছে বড় সওয়াব ও ফযীলত। মহান আল্লাহ বলেন, “সে ব্যক্তি অপেক্ষা আর কার কথা উৎকৃষ্ট, যে ব্যক্তি আল্লাহর দিকে মানুষকে আহ্বান করে, সৎকাজ করে এবং বলে আমি একজন ‘মুসলিম’ (আত্মসমর্পণকারী)?” (সূরা ফুসসিলাত, আয়াত নং-৩৩) বিস্তারিত…


মুসনাদে আহমাদ ১ম ও ২য় খন্ড [ইন্টারেকটিভ লিংকসহ]

হাদীসে রাসূল (সা) সংগ্রহ ও সংরক্ষণের জন্য যেসকল ইমাম প্রাণান্ত পরিশ্রম করে গেছেন, ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (র) তাঁদের মধ্যে অন্যতম। হাদীসের এই মুজতাহিদ হাদীরেস শরীয়াতী মাসআল-মাসায়েল সংগ্রহ অপেক্ষা প্রিয় রাসূল (সা)-এর হাদীস যাতে সঠিক অবস্থায় সংরক্ষণ করা যায়, এ ব্যাপারে অধিক দৃষ্টি দেন। তিনি হাদীসগুলোকে মুসনাদ তথা সাহাবায়ে কিরাম (রা)-এর নামানুসারে সন্নিবেশ করেছেন। এই পদ্ধতি হলো, বিষয়ভিত্তিক হাদীস না সাজিয়ে সাহাবীদের বর্ণিত হাদীস অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। প্রায় উনত্রিশ হাজারের এই বিশাল সংকলন ‘মুসানাদে আহমাদ’ যাকে ইলমে হাদীসের বিশ্বকোষও বলা হয়।

পরবর্তিতে আহমদ ইবন আবদুর রহমান ইবন মুহাম্মাদ আল-বান্না (র) এই মুসনাদ গ্রন্থটিকে অপরাপর হাদীস সংকলনের মতো বিষয়ভিত্তিক অধ্যায় ও পরিচ্ছেদে সুবিন্যস্ত করেন এবং এর নামকরণ করেন ‘আল-ফাতহুর রাব্বানী ফী তারতীবী মুসনাদি আল-ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল আশ-শায়বানী’। এটি ‘আল-ফাতহুর রাব্বানী’ নামে পরিচিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এই হাদীস গ্রন্থের দুইটি খন্ড অনুবাদ করেছে এবং প্রকাশ করেছে। বইটিতে অধ্যায় ভিত্তিক সাজানো রয়েছে। সেই সাথে হাদীসগুলি অন্য গ্রন্থে বর্ণিত হলে তাও উল্লেখ করা হয়েছে।  যেটি প্রাথমিক অবস্থায় স্ক্যান করে ইসলামী বই.ওয়ার্ডপ্রেস সাইট। কিন্তু ইন্টারেকটিভ লিংক যুক্ত না থাকায় আমরা এটিকে যুক্ত করে আপলোড করলাম। আল্লাহ তাদের কবুল করুন। বিস্তারিত…


স্বলাতে মুবাশ্‌শির (পর্ব ১০)

রচনায় : আব্দুল হামীদ ফাইযী আল-মাদানী

নামাযের সময় নির্দিষ্টীকরণের পশ্চাতে হিকমত

মহান আল্লাহ মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে এমন প্রকৃতি ও প্রবৃত্তি দান করেছেন, যাতে রুযী অনুসন্ধানের মাধ্যমে তাকে জীবনধারণ করতে হবে। আর তার জন্য প্রয়োজন পরিশ্রমের। পরিশ্রম দেহ্‌-মনে ক্লান্তি, ব্যস্ততা ও শৈথিল্য আনে। ফলে পরিশ্রমে ছিন্ন হয় আল্লাহ ও বান্দার মাঝে বিশেষ যোগসূত্র। তাই তো যথাসময়ে সেই যোগসূত্র -একটানা নয় বরং মাঝে মাঝে কায়েম করে বান্দাকে আল্লাহ-মুখো করে রাখার উদ্দেশ্যে নামাযের ওয়াক্তের এই বিশেষ সময়াবলী নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

পক্ষান্তরে পরিশ্রম ও উপার্জনের জন্যও উদ্যম জরুরী। বিশেষ করে ফজরের সময়ে এমন কিছু অনুশীলনের দরকার, যার মাঝে নিদ্রার জড়তা ও আলস্য কেটে গিয়ে মনে স্ফূর্তি ফিরে আসে এবং যার ফলে এই বর্কতের সময়ে মানুষ নিজ নিজ কাজে মনোযোগী হতে পারে। তাই তো ফজরের নামাযের মাধ্যমে বান্দা তার নিদ্রা অবস্থায় নিরাপত্তা লাভের উপর আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপন করে এবং আল্লাহর নিকট তওফীক ও সাহায্য কামনার মধ্য দিয়ে শুরু করে তার প্রাত্যহিক কর্মজীবন। বিস্তারিত…


স্বলাতে মুবাশ্‌শির (পর্ব ৯)

রচনায় : আব্দুল হামীদ ফাইযী আল-মাদানী

নামাযের ওয়াক্তসমূহ

ফরয নামায শুদ্ধ হওয়ার জন্য এক শর্ত হল, তা যথা সময়ে আদায় করা। নির্দিষ্ট সময় ছাড়া ভিন্ন সময়ে নামায হয় না। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন,

إنَّ الصَّلاَةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِيْنَ كِتَاباً مَّوْقُوْتاً

অর্থাৎ, নির্ধারিত সময়ে যথাযথভাবে নামায পড়া মু’মিনদের কর্তব্য। (সূরা আন-নিসা, আয়াত নং-১০৩)

কুরআন মাজীদে কতিপয় আয়াতে নামাযের ৫টি ওয়াক্তের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে; যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন, “আর নামায কায়েম কর দিনের দু’ প্রান্তভাগে (অর্থাৎ ফজর ও মাগরেবের সময়) ও রাতের প্রথমাংশে (অর্থাৎ এশার সময়)। (সূরা হুদ, আয়াত নং-১১৪)

“সূর্য ঢলে যাওয়ার পর হতে রাতের ঘন অন্ধকার পর্যন্ত (অর্থাৎ যোহ্‌র, আসর, মাগরেব ও এশার) নামায কায়েম কর, আর কায়েম কর ফজরের নামায।” (সূরা বানী ইসরাঈল, আয়াত নং-৭৮) বিস্তারিত…


তাহকীক সুনান ইবনে মাজাহ ৩য় খন্ড ডাউনলোড

সুনান ইবনে মাজাহ প্রসিদ্ধ ছয়টি হাদীস গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম। হাদীস শাস্ত্রে ইমাম ইবনে মাজাহর অন্যতম অবদান এটি। ইমাম ইবন মাজাহ (রহ) সারাজীবন গভীর সাধনা, নিরবচ্ছিন্ন অধ্যবসায় ও ঐকান্তিক অভিনিবেশের মাধ্যমে হাদীস সংগ্রহ ও লিপিবদ্ধ করেন। এ গ্রন্থে অনেক মূল্যবান হাদীস রয়েছে যা অন্য কুতুবে সিত্তাহতে নেই। গ্রন্থটিতে ইমাম ইবনে মাজাহ ফিকহী মাসআলার তরতীব অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছেন।  হাদীসের বিন্যাস পদ্ধতি অনুপম ও অনন্য সাধারণ। সেই সাথে কোন পুন:পুন: হাদীস উল্লেখ করা হয়নি। এর বাব (পরিচ্ছেদ) গুলো দীর্ঘ নয়। এই গ্রন্থটির পূর্ণাঙ্গ তাহকীক সহ অনুবাদ ও প্রকাশ করেছে তাওহীদ পাবলিকেশন্স। বিস্তারিত…


নেতৃত্ব এক মহান দায়িত্ব

রচনায় : কামাল উদ্দিন মোল্লা

মানুষের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলীর পরিপূর্ণতা আসে স্বভাবজাত গুণাবলী ও অর্জিত গুণাবলীর সংমিশ্রণের ফলে। সমাজের নেতা হন কম সংখক ব্যক্তি কিন্তু তাদের অনুসারী হন অনেক বেশি। নেতা যেদিকে চলেন সাধারণ মানুষ পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই তাদেরকে অনুসরণ করে থাকে। নেতার একটি ভুল বিরাট জনতাকে ধ্বংসের অতল তলে নিক্ষেপ করে থাকে। তাই ইহলৌকিক ও পারলৌকিক উভয় জগতের সাফল্যের জন্য সঠিক নেতৃত্বের অনুসরণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি নেতাদের দায়িত্ব সাধারণ মানুষদেরকে বিপথে পরিচালিত না করে সঠিক পথে পরিচালিত করা। নয়ত বিচার দিনে তারা সাধারণ মানুষের অভিযোগের মুখোমুখি হবেন এবং কঠিন শাস্তির জন্য বিবেচিত হবেন। এ কথাটি কোরআন পাকে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্নভাবে বর্ণিত হয়েছে। সূরা আহযাবে এরশাদ হচ্ছে–

يَوْمَ تُقَلَّبُ وُجُوهُهُمْ فِي النَّارِ يَقُولُونَ يَا لَيْتَنَا أَطَعْنَا اللَّهَ وَأَطَعْنَا الرَّسُولَا ﴿66﴾ وَقَالُوا رَبَّنَا إِنَّا أَطَعْنَا سَادَتَنَا وَكُبَرَاءَنَا فَأَضَلُّونَا السَّبِيلَا ﴿67﴾ رَبَّنَا آَتِهِمْ ضِعْفَيْنِ مِنَ الْعَذَابِ وَالْعَنْهُمْ لَعْنًا كَبِيرًا ﴿68﴾

যেদিন অগ্নিতে তাদের মুখমন্ডল ওলট পালট করা হবে, সেদিন তারা বলবে হায়! আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম ও রসূলের আনুগত্য করতাম। তারা আরো বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা আমাদের নেতা ও বড়তের কথা মেনেছিলাম, অতঃপর তারা আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিল। হে আমাদের পালনকর্তা! তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দিন এবং তাদেরকে মহা অভিসম্পাত করুন। (সূরা আহযাব : ৬৬ – ৬৮) বিস্তারিত…


স্বলাতে মুবাশ্‌শির (পর্ব ৮)

রচনায় : আব্দুল হামীদ ফাইযী আল-মাদানী

নামাযের ভিতরে বিশেষ লেবাস

একটাই কাপড়ে পুরুষের নামায শুদ্ধ, তবে তাতে কাঁধ ঢাকতে হবে। (বুখারী, মুসলিম,  মিশকাত ৭৫৪-৭৫৬ নং) আর খেয়াল রাখতে হবে, যেন শরমগাহ্‌ প্রকাশ না পেয়ে যায়। (ঐ মিশকাত ৪৩১৫ নং) তওয়াফে কুদূম (হজ্জ ও উমরায় সর্বপ্রথম তওয়াফ) ছাড়া অন্য সময় ইহ্‌রাম অবস্থায় ডান কাঁধ বের করে রাখা বিধেয় নয়। বলা বাহুল্য নামাযের সময় উভয় কাঁধ ঢাকা জরুরী।

এক ব্যক্তি হযরত উমার (রাঃ) কে এক কাপড়ে নামায পড়ার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, ‘আল্লাহ আধিক্য দান করলে তোমরাও অধিক ব্যবহার কর।’ অর্থাৎ বেশী কাপড় থাকলে বেশী ব্যবহার করাই উত্তম। (বুখারী ৩৬৫ নং)

দরবার আল্লাহর। তিনি সৌন্দর্য পছন্দ করেন। তাই নামাযীর উচিত, যথাসাধ্য সৌন্দর্য অবলম্বন করে তাঁর দরবারে হাজির হওয়া। মহানবী (সাঃ) বলেন, “তোমাদের কেউ যখন নামায পড়ে, তখন তাকে দু’টি কাপড় পরা উচিত। কারণ, আল্লাহ অধিকতম হকদার যে, তাঁর জন্য সাজসজ্জা গ্রহণ করা হবে।” (সহীহ জামে ৬৫২ নং) বিস্তারিত…