Tag Archives: salat

অলসতা করে নামায বর্জন করা

প্রশ্ন: আমি যদি অলসতা করে নামায না পড়ি আমি কি কাফের হিসেবে গণ্য হব? নাকি গুনাহগার মুসলমান হিসেবে গণ্য হব? উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ। ইমাম আহমাদ এর মতানুযায়ী, অলসতা করে নামায বর্জনকারী কাফের এবং এটাই অগ্রগণ্য মত। কুরআন, হাদিস, সফলে সালেহীন এর বাণী ও সঠিক কিয়াস এর দলিল এটাই প্রমাণ করে।[আল-শারহুল মুমতি আলা-যাদিল মুসতানকি (২/২৬)] কেউ যদি কুরআন-সুন্নাহর দলিলগুলো গবেষণা করে দেখেন ... Read More »

কোন ব্যক্তি কখন নামায বর্জনকারী হিসেবে গণ্য হবে এবং নামায বর্জন করার হুকুম কি?

প্রশ্ন: নামায বর্জনকারী কি সম্পূর্ণভাবে অমুসলিম হিসেবে গণ্য হবে? যে ব্যক্তি দুই ঈদের নামায পড়ে, কখনও কখনও জুমার নামায পড়ে, কখনও কখনও পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের কোন ওয়াক্ত পড়ে সে ব্যক্তি কি “যে মোটেই নামায পড়ে না” তার হুকুমের অন্তর্ভুক্ত হবে এবং অমুসলিম হিসেবে গণ্য হবে? “মোটেই নামায পড়ে না” এ কথাটির ব্যাখ্যা কি? উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ। এক: আলেমদের বিশুদ্ধ মতানুযায়ী, অসংখ্য ... Read More »

বেনামাযীর বিধি-বিধান

প্রশ্ন: সহিহ হাদিসে সুস্পষ্টভাবে এসেছে যে, নামায ত্যাগকারী কাফের। আমরা যদি হাদিসের বাহ্যিক অর্থ গ্রহণ করি তাহলে ইচ্ছাকৃতভাবে নামায ত্যাগকারীকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্য যাবতীয় অধিকার থেকে বঞ্ছিত করা, তাদের জন্য বিশেষ গোরস্তান নির্ধারণ করা, তাদের জানাযার নামায না-পড়া ও সালাম না-দেওয়া ওয়াজিব। যেহেতু কাফেরের নিরাপত্তা ও সালাম পাওয়ার অধিকার নেই। আমরা জানি যে, আমরা যদি নামাযীদের একটা পরিসংখ্যান প্রস্তুত করি ... Read More »

বিতিরের নামায কি সালাতুল লাইল (রাতের নামায) থেকে আলাদা কিছু

প্রশ্ন: বিতিরের নামায ও রাতের নামাযের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি? উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ। বিতিরের নামাযও এক প্রকার রাতের নামায। তবে, তারপরেও রাতের নামাযের সাথে বিতিরের নামাযের কিছু পার্থক্য রয়েছে। শাইখ বিন বায (রহঃ) বলেন: বিতিরের নামায একপ্রকার রাতের নামায, এটি আদায় করা সুন্নত এবং এটি রাতের নামাযের সর্বশেষ নামায। বিতিরের নামায এক রাকাত; যে এক রাকাত নামায দিয়ে রাতের নামাযের ... Read More »

নামায অমান্য ও অবহেলাকারীর দুনিয়া ও আখিরাতে ভয়াবহ শাস্তি

সলাতের কথা পবিত্র কুরআনে ৮২ বার উল্লেখ করা হয়েছে। অসংখ্য হাদীস দ্বারা জানা যাচ্ছে যে, সলাত ইসলামের মূল স্তম্ভের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ। সলাত কাফির ও মুসলিমের মধ্যে পার্থক্যকারী। হাশরের মাঠে সর্বপ্রথম হিসেব নেয়া হবে সলাতের। সলাত কবুল না হলে অন্যান্য আমাল বৃথা। সলাত জীবনকে সুশৃঙ্খল করে। সলাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে সেতু বন্ধন হয়। সলাতের মাধ্যমে প্রতিদিন পাঁচবার এই অনুভূতি জাগ্রত ... Read More »

ইমামকে যে রুকু অবস্থায় পেল তার হুকুম

প্রশ্ন: যে ব্যক্তি ইমামকে রুকু অবস্থায় পেল এবং রুকুতেই ইমামের সাথে শরীক হলো, তার এ রাকাত গণ্য হবে কী না, আপনাদের মতামত জানতে চাই? উত্তর: আহলে ইলমগণ এ মাসআলায় দ্বিমত পোষণ করেছেন: প্রথম মত হচ্ছে: এ রাকাত গণ্য হবে না। কারণ, সূরা আল-ফাতিহা পড়া ফরয ছিল যা সে পড়তে পারে নি। এ অভিমত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত। ইমাম ... Read More »

মাসনূন সালাত ও দু‘আ শিক্ষা

ইসলামী মৌলিক নীতিমালাসহ মাসনূন সালাত ও দু‘আ শিক্ষা আবূ আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী বইটি নিজের ভাষায় খুব সংক্ষিপ্তভাবে কোরআন ও হাদীসের আলোকে সলাত পড়ার পদ্ধতি বর্ণনা করেছেন। তিনি বইটির প্রতিটি মাসআলার রেফারেন্স প্রদান করেছেন। এর সাথে ইসলামী জীবন-যাপনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যিক্‌র ও দু’আগুলো সন্নিবেশিত হয়েছে। আর বইখানির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, এতে সালাত আদায়ের জন্য দু’আ-দরূদ, কিছু সূরার অর্থসহ বাংলা ... Read More »

ইসলামী বই : ছ্বহীহ সালাত

রাসূল (সা)-এর ছ্বহীহ হাদীছ অনুসারে অন্তত দুই রাকআত নামায ছ্বহীহ হওয়ারজন্য নামাযের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ন্যূনতম ৪০টি আমল করতে হয়। আপনার নামাযে এ ৪০টি আমল করা হয় কিনা তা একবার এ বইয়ে উল্লিখিত ‘রাসূল (সা)-এর নামায অনুকরণে নামায পড়ার ছ্বহীহ পদ্ধতি’ বিষয়ের সাথে মিলিয়ে দেখুন। রাসূল (সা)-এর  নামায সম্পর্কে এই সংক্ষিপ্ত বইটি অত্যন্ত মুল্যবান। এটি শাইখ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ) ... Read More »

জাকির নায়েকের লেকচারে সালাতুন নাবী (সা)

ডা. জাকির নায়েক বর্তমান বিশ্বের ইসলামের অন্যতম দাঈ। তাঁর বিভিন্ন লেকচার বই আকারে প্রকাশ হয়েছে। বাংলা ভাষাতেও এসব এখন বিদ্যমান। তার অন্যতম একটি হলো সালাত সম্পর্কিত লেকচার। এটির বিভিন্ন অনুবাদ বাংলা ভাষায় বিদ্যমান। কোন বিষয় লেকচারে বিস্তারিত বলা সম্ভব হয়ে উঠে না। তাই তার অনেক বক্তব্য বা বইকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। এই বিভ্রান্তি দূর করতে এবং সালাতের ... Read More »

আমাদের সালাতে খুশূ’ নিয়ে আসব কীভাবে (পর্ব-২)

লেখক: কবীর আনোয়ার আগের পর্বের লিংক সালাতের মধ্যে করণীয়ঃ  “আল্লাহু আকবার” বলার সময় ভাবুন-“এখন সমস্ত কিছুই নিষিদ্ধ আমার জন্য। তারা আকবার নয়, একমাত্র আল্লাহই আকবার। গভীরভাবে মনের মধ্যে গেঁথে নিন যে আপনি এখন দুনিয়াবী সমস্ত কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আপনার চিন্তায় আর কিছুই নেই।”  “সানা”-র উপর মনোনিবেশ করুন। ছোটবেলা থেকে মুখস্থ পড়ে আসা একটাই সানা বাদ ... Read More »