পাশ্চাত্য সভ্যতায় ইসলাম

সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) যে সময় পৃথিবীতে আগমন করেন, তা ছিল ঘোর অন্ধকারের যুগ। এ সময় পৃথিবীর কোথাও ন্যায়, ইনসাফ, সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধের অস্তিত্ব ছিল না। সভ্যতা, সংস্কৃতি ও নৈতিকতা ছিল পাশবিকতায় আচ্ছন্ন বিশেষ করে আরব তথা সেমিটিক জাতি-গোষ্ঠীর মধ্যে। মানবতার এ দুঃসময় মহানবী (সা) মানবজাতির কাছে এমন এক জীবনদর্শন উপস্থাপন করেন । যা তার মহান আবির্ভাবের একশ বছরের মধ্যে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে প্রসার লাভ করে।

মহানবী (সা)-এর প্রদর্শিত এ জীবন বিধান কেবল মানুষের আধ্যাত্মিকতার নিশ্চয়তা বিধান করে। জ্ঞান, বিজ্ঞান, ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ভূগোল, বাণিজ্য, চিকিৎসাবিদ্যা, জ্যোতির্বিদ্যা, অংকশাস্ত্র ও সঙ্গীতে অভূতপূর্ব সাফল্য এনে দেয়। এর উপর ভিত্তি করে আধুনিক ইউরোপীয় সভ্যতা বিস্তার লাভ করেছে।

প্রখ্যাত ইতিহাসবেত্তা ও প্রাচ্যবিদ স্যার টমাস আর্নল্ড এবং আলফ্রেড গিলম সম্পাদিত The Legacy of Islam শীর্ষক প্রামাণ্য গ্রন্থটিতে এ সত্যটি বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। ইসলামী বিশ্বের যেসব উপাদান ইউরোপীয় সভ্যতা-সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে তার একটি বিশ্লেষণধর্মী বিবরণ রয়েছে এ গ্রন্থটিতে। বইটি ‘পাশ্চাত্য সভ্যতায় ইসলাম’ শিরোনামে অনুবাদ করেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক, সাহিত্যিক, লেখক ও অনুবাদক মরহুম নুরুল ইসলাম পাটােয়ারী। সভ্যতা বিকাশে মুসলমানদের অতীত ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অবদানের কথা জানা ও তা থেকে অনুপ্রেরণা লাভের জন্য আমাদের প্রত্যেকেরই গ্রন্থটি অধ্যয়ন করা প্রয়োজন ।

ডাউনলোড

Mediafire       Google Drive     WordPress Server

About WaytoJannah

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Solve : *
24 + 23 =