স্ত্রীদের মধ্যে সমতা রক্ষা না করা

আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে পুরুষদেরকে স্ত্রীদের মধ্যে সমতা বিধানের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন,

وَلَنْ تَسْتَطِيعُوا أَنْ تَعْدِلُوا بَيْنَ النِّسَاءِ وَلَوْ حَرَصْتُمْ فَلاَ تَمِيلُوا كُلَّ الْمَيْلِ فَتَذَرُوهَا كَالْمُعَلَّقَةِ وَإِنْ تُصْلِحُوا وَتَتَّقُوا فَإِنَّ اللهَ كَانَ غَفُورًا رَحِيمًا

‘তোমরা যতই আগ্রহ পোষণ কর না কেন তোমরা কখনো স্ত্রীদের প্রতি সমান ব্যবহার করতে পারবে না। তবে তোমরা কোন একজনের দিকে সম্পূর্ণরূপে ঝুঁকে পড় না ও অপরকে ঝুলন্ত অবস্থায় রেখ না। যদি তোমরা নিজেদেরকে সংশোধন কর ও সাবধান হও তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’ (নিসা ১২৯)

এখানে কাম্য হ’ল, রাত্রি যাপনে স্ত্রীদের মধ্যে সমতা রক্ষা করা, পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকের নিকট এক রাত করে যাপন করা এবং প্রত্যেকের থাকা, খাওয়া ও পরার যথোপযুক্ত বন্দোবস্ত করা। অন্তরের ভালবাসা সবার জন্য সমান হতে হবে এমন বিধান শরী‘আত দেয়নি। কেননা তা মানুষের ইখতিয়ার বহির্ভূত।

কিছু মানুষ আছে, যারা তাদের একাধিক স্ত্রীর একজনকে নিয়ে পড়ে থাকে, অন্যজনের দিকে ভ্রুক্ষেপও করে না; একজনের নিকট বেশী বেশী রাত কাটায় কিংবা বেশী খরচ করে, অন্যজনের কোন খোঁজই নেয় না। নিঃসন্দেহে এরূপ একপেশে আচরণ হারাম। ক্বিয়ামত দিবসে তাদের যে অবস্থা দাঁড়াবে তার একটি চিত্র আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত নিম্নোক্ত হাদীছে আমরা পাই। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,

مَنْ كَانَتْ لَهُ امْرَأَتَانِ فَمَالَ إِلَى إِحْدَاهُمَا جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَشِقُّهُ مَائِلٌ

‘যার দু’জন স্ত্রী আছে, কিন্তু সে তাদের একজনের প্রতি ঝুঁকে পড়ে, ক্বিয়ামত দিবসে সে অর্ধাঙ্গবিহীন অবস্থায় উঠবে’।[1]

মুহাম্মাদ ছালেহ আল-মুনাজ্জিদ


[1]. আবুদাঊদ হা/২১৩৩, সনদ ছহীহ।

উৎসঃ i-onlinemedia

 

About ইউসুফ আলী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Solve : *
4 + 5 =