ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফতোয়া সংকলন

 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

﴿ وَمَآ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ إِلَّا رِجَالٗا نُّوحِيٓ إِلَيۡهِمۡۖ فَسۡ‍َٔلُوٓاْ أَهۡلَ ٱلذِّكۡرِ إِن كُنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ ٤٣ ﴾ [النحل: ٤٣]

“তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষই প্রেরণ করেছিলাম; তোমরা যদি না জান, তবে জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞাসা কর।” – (সূরা আন-নাহল: ৪৩)।

মুসলিম পুরুষ ও নারীর জীবনে এমন অনেক জটিল সমস্যার সৃষ্টি হয়, যে ব্যাপারে শরী‘য়তের বিধান জানা আবশ্যক হয়ে পড়ে। আর জ্ঞানীদের নিকট প্রশ্ন করা এবং তাদের নিকট ফতোয়া জানতে চাওয়াটা জ্ঞান অর্জনের অন্যতম চাবিকাঠি।

এই চিন্তা থেকেই সম্মানিত আলেম ও শাইখগণের নির্ভরযোগ্য ফতোয়াসমূহ থেকে একটি সহজ সংকলন তৈরি করা হয়েছে , যা সমাজের বিভিন্ন দল ও গোষ্ঠী গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। তার মাঝে ছাত্র-ছাত্রীদের দলটি সমাজের মধ্যে একটি বড় অংশ হওয়ার কারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট শর‘য়ী ফতোয়া সম্পর্কে অনেকেরই জানা প্রয়োজন।

আর এসব পৃষ্ঠার মধ্যে আমি ঐসব ফতোয়া থেকে বাছাইকৃত অংশ সংকলন করা হয়েছে।   এবং সেগুলোর উৎস ও তথ্যসূত্রের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে। এটি সংকলন করেছেন মিরফাত বিনত কামিল আবদিল্লাহ উসরা। Read more

কয়েকটি নির্বাচিত প্রশ্নের উত্তর

কয়েকটি নির্বাচিত প্রশ্নের উত্তর

উত্তর দিয়েছেন সউদী আরবের ইসলামী গবেষণা এবং ফতওয়া বিষয়ক স্থায়ী উলামা পরিষদ।

প্রশ্ন : অনুপস্থিত ব্যক্তি কিংবা মৃত ব্যক্তির নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা (ফরিয়াদ করা ) কি বড় কুফরী কাজ ?

উত্তর : হাঁ ,মৃত কিংবা অনুপস্থিত ব্যক্তির নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা বড় শিরক। যে এই রকম করে সে ইসলাম থেকে বেরিয়ে যায়। কারণ আল্লাহ বলেন: ( যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে ডাকে অন্য উপাস্যকে ,ঐ বিষয়ে তার নিকট কোন প্রমাণ নেই ;তার হিসাব তার প্রতিপালকের নিকট আছে,নিশ্চয়ই কাফেররা সফলকাম হবে না।) [ সূরা আল মুমিনূন/ ১১৭] ,তিনি আরো বলেন: (তিনিই আল্লাহ,তোমাদের প্রতিপালক। সার্বভৌমত্ব তাঁরই। আর তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদেরকে ডাকো তারা তো খেজুরের আঁটির আবরনেরও অধিকারী নয়। তোমরা তাদেরকে আহ্বান করলে তারা তোমাদের আহ্বান শুনবে না এবং শুনলেও তোমাদের আহ্বানে সাড়া দিবে না। তোমরা তাদেরকে যে শরীক করেছো তা তারা কিয়ামতের দিন অস্বীকারকরবে। সর্বজ্ঞের ন্যায় কেউই তোমাকে অবহিত করতে পারে না। ) [ সূরা ফাত্বির /১৩-১৪] Read more

প্রশ্নোত্তরে রাসূল (সা)-এর জীবনী (পর্ব-১০)

রাসূল (সা)-এর সাহায্যকারী

 

প্রশ্ন: রাসূল (সা) কে মক্কার কোন কাফিররা সাহায্য করেছিলো ?

উত্তর: মক্কার কাফিরদের মধ্যে কয়েকজন কাফির রাসূল (সা)-কে সাহায্য করেছিলো।

প্রশ্ন: শেষ পর্যন্ত যারা ইসলাম গ্রহণ করেনি কিন্তু রাসূল (সা)-কে সাহায্য করেছে তাদের নাম কী ?

উত্তর: তারা হলেন- আবু তালিবা, মুত’ইম বিন আদি এবং আবুল বু’খতারি। Read more

প্রশ্নোত্তরে রাসূল (সা)-এর জীবনী (পর্ব-৯)

ইসলামের চরম শত্রু  আবু লাহাব ও উকবা

প্রশ্ন: আবু লাহাব কে ?
উত্তর: আবু লাহাব ছিল রাসূল (সা)-এর চাচা এবং মক্কার একজন নেতৃস্থানীয় নেতা।
প্রশ্ন: আবু লাহাবের স্ত্রী কে ছিল ?
উত্তর: তার স্ত্রী ছিল আবু সুফিয়ানের বোন আওরায়া বিনতে হারব। তার উপনাম ছিল উম্মে জামীল।
প্রশ্ন: রাসূল (সা)-এর সাথে তার ব্যবহার কিরুপ ছিলো ?
উত্তর: রাসূল (সা)-এর চাচা হওয়া সত্ত্বেও সে ছিল ইসলাম ও মুসলিমদের চরম শত্রু। মুসলিমদের উপর নির্যাতন তীব্রতর করার প্রস্তাব সেই রেখেছিলো।
প্রশ্ন: তার স্ত্রী উম্মে জামীল (রা) রাসূল (সা)-এর সাথে কেমন আচরণ করতো ?
উত্তর: স্বামীর মতো সেও রাসূল (সা) এর সাথে ঘৃণা ও শত্রুতাপূর্ণ আচরণ করতো। রাসূল (সা)-কে কষ্ট দেয়ার জন্য সে রাসূল (সা)-এর বাড়ির সামনে প্রায়ই ময়লা-আবর্জনা ও কাটা বিছিয়ে রাখতো। Read more

প্রশ্নোত্তরে রাসূল (সা)-এর জীবনী (পর্ব-৮)

ইসলামের চরমশত্রু আবু জাহেল

প্রশ্ন: আবু জাহেল কে ?

উত্তর: আবু জাহেল ছিলেন কুরাইশদের বড় নেতা।

প্রশ্ন: তার প্রকৃত নাম কি ছিলো ? তাকে আবু জাহেল বলা হয় কেনো ?

উত্তর : তার প্রকৃত নাম ছিল উমর বিন হিশাম, তার উপনাম ছিল আবুল হাকাম। কিন্তু ইসলামের প্রতি তার শত্রুতাপূর্ণ আচরণের জন্য তাকে আবু জাহেল বলা হতো।

প্রশ্ন: আবু জাহেল কেনো রাসূলুল্লাহ (সা)-এর বিরোধিতা করতেন ?

উত্তর : কারণ, রাসূল (সা) মুর্তিপূজাকে ঘৃণা করতেন এবং আল্লাহর একত্ববাদের (তাওহীদের) দাওয়াত দিতেন। Read more