তাফসীরে তাবারী ৯ম খন্ড

তাফসীর গ্রন্থ হলো মূলত মহান আল্লাহর তরফ হতে রাসূল (সা)-এর উপর নাযিলকৃত আল-কুরআনের আল-হাদীসের মাধ্যমে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ। সাধারণ মানুষের জন্য আল-কুরআনের অন্তর্নিহিত ভাব ও মর্ম সহজবোধ্য হয়ে উঠে তাফসীর পাঠ করার মাধ্যমে। এজন্য ইসলামের প্রথম থেকে কুরআন ও হাদীসের বিশেষজ্ঞ ‘আলিমগণ সাধারণ মানুষের জন্য সহজসাধ্য করে রচনা করেছেন তাফসীর গ্রন্থ।

এসব তাফসীর গ্রন্থের মধ্যে পবিত্র কুরআনের প্রখ্যাত ভাষ্যকার আল্লামা আবূ জা’ফর মুহাম্মদ ইবন জারীর তাবারী (র) প্রণীত তাফসীরে তাবারী অন্যতম। এই তাফসীরখানা তাফসীরে তাবারী নাম সমধিক পরিচিত হলেও এর প্রকৃত নাম “জামিউল বায়ান ফী তাফসীরিল কুরআন”। পবিত্র কুরআনের সঠিক ব্যাখ্যায় এই তাফসীরে সর্বাধিক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এটি মূলত হাদীস ভিত্তিক তাফসীর। এজন্য এ গ্রন্থখানি মুসলিম জাহানে বিশেষভাবে সমাদৃত।

তত্ত্ব ও তথ্যের বিশুদ্ধতার জন্য পাশ্চাত্য জগতের পন্ডিত-গবেষকগণও এ তাফসীরখানার প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট হয়েছেন। ১৯৮৮ সালে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস তাফসীরটির প্রথম খন্ডের ইংরেজী অনুবাদ প্রকাশ করেছে। আল্লাহ তাআলার অপার অনুগ্রহে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ১-১২খন্ড বাংলায় অনুবাদ প্রকাশ করেছে। ইতিপূর্বে  অন্য সাইটে ১-৭খন্ড স্ক্যানকৃত কপি প্রকাশ হয়েছে। বাকী খন্ডগুলো আমরা প্রকাশ করার আশা রাখি। Read more

জিহাদ ও জঙ্গীবাদ প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ও স্পর্শকাতর বিষয় হল সন্ত্রাস। বিশেষ করে বাংলাদেশেও এই প্রসঙ্গ বর্তমানে হট কেক হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। বর্তমানে সহীহ আক্বীদার ও আমলের অনুসারীদের এক প্রকার জুলুম করে অন্যায় অভিযোগ চাপিয়ে দিয়ে অন্যায় অত্যাচার করা হচ্ছে। চরমপন্থার অভিযোগ করে সহীহ আক্বীদার দাওয়াতী কার্যক্রমকে থামিয়ে দেয়অর চেষ্টা করছে। অথচ সহীহ আক্বীদা ও আমলের অনুসারীরা সকল প্রকার চরমপন্থার বিরোধী সেইসাথে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বা দেশে অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি সহীহ আক্বীদা ও আমলের পরিচয় বহন করে না। চিরশান্তির ধর্মকে সন্ত্রাসী ধর্ম হিসেব আখ্যায়িত করার ষড়যন্ত্র হিসেবে এসব করানো হচ্ছে। এর আগেও বিভিন্ন দাওয়াতী এনজিওর কার্যক্রমকেও ভূয়া জঙ্গীবাদের ধূয়া তুলে বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।

ধর্মের নামে এক শ্রেণীর অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, মূর্খ লোকেরা মুসলিমদের চিরশত্রুদের পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে একদিকে যেমন আমাদের দেশকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস চলছে, সেই সাথে আমাদের চিরশান্তির ধর্ম ইসলামকেও কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছে। একথা সর্বজনবিদিত যে, ইসলাম কোন অবস্থাতেই জঙ্গীবাদকে সমর্থন করে না। Read more

রাসূল (সা)-এর ২৪ ঘন্টা

ইসলাম অন্যান্য প্রচলিত ধর্মের ন্যায় কেবল কতিপয় কর্মকান্ডের সমাহারের নামই নয়। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন ব্যবস্থার নাম। একজন ব্যক্তি ফজরের সালাতের জন্য সুবহে সাদিকের পর ঘুম থেকে উঠা এবং দিন অতিবাহিত হতে হতে সন্ধ্যা হয়ে প্রয়োজনীয় কাজকর্ম সম্পন্ন করার মাধ্যমে রাত্রিযাপন করে। আবার সুবহে সাদিক পর্যন্ত এই যে ২৪ঘন্টা সময় আছে তাতে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ইসলামের বিধান বিদ্যমান আছে। আমাদের অনেকের ইসলাম সম্পর্কে ভালো জ্ঞান না থাকা, সামাজিকভাবে ইসলাম বিদ্বেষীভাব, রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামের প্রতি বৈরিতা প্রদর্শনসহ বিবিধ কারণে ইসলামকে অন্যান্য ধর্মের ন্যায় মনে করার মাধ্যমে ইসলাম থেকে অনেক দূরে অবস্থান করেছেন।

রাসূল (সা)-এর জীবনে রয়েছে আমাদের জন্য চলার পথে পাথেয়। তার জীবনের সম্পূর্ণ দিকই সুন্নাহ। আবার তাঁর চরিত্রই কুরআন। অর্থ্যঅত কুরআনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিফলন রাসূল (সা)-এর চরিত্র। রাসূল (সা) এর সামগ্রিক জীবন তথা পূর্ণাঙ্গ ২৪ ঘন্টা সম্পর্কে আমাদের জানা বাঞ্জনীয়। এই জীবনই অনুসরণ করার মাধ্যমে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ লাভ করতে পারে। রাসূল (সা)-এর পূর্ণাঙ্গ জীবন সম্পর্কে ধারণা দিতেই পিস পাবলিকেশন্স, বাংলাদেশ পরিবেশন করছে “রাসূল (সা)-এর ২৪ ঘন্টা”। Read more

আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া সম্পূর্ণ ডাউনলোড

“আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া” প্রখ্যাত মুফাসসির ও ইতিহাসবেত্তা আল্লামা ইবনে কাসীর (রহ) প্রণীত একটি সুবৃহৎ ইতিহাস গ্রন্থ। এই গ্রন্থের সৃষ্টির শুরু তথা আরশ, কুরসী, নভোমন্ডল, ভূমন্ডল প্রভৃতি এবং সৃষ্টির শেষ তথা হাশর-নশর, কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম প্রভৃতি সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে।

এই গ্রন্থটি ১৪টি খন্ডে সমাপ্ত হয়েছে। আল্লামা ইবনে কাসীর (র) তাঁর এই গ্রন্থকে তিনভাগে ভাগ করেছেন।

প্রথম ভাগ: আরশ, কুরসী, ভুমন্ডল, নভোমন্ডল এতদুভয়ের অন্তর্বতী সব কিচু তথা ফেরেশতা, জিন, শয়তান, আদম (আ)-এর সৃষ্টি, যুগে যুগে আবির্ভূত নবী-রাসুলগণের ঘটনা, বনী ইসরাঈল, ইসলাম-পূর্ব যুগের রচনাবলী এবং মুহাম্মাদ (সা)-এর জীবন-চরিত আলোচনা করা হয়েছে।

দ্বিতীয় ভাগ : রাসুল (সা)-এর ওফাতকাল থেকে ৭৬৮ হিজরী সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ কালের বিভিন্ন ঘটনা এবং মনীষীদের জীবনী আলোচনা করা হয়েছে।

তৃতীয়ভাগ : ফিতনা-ফাসাদ, যুদ্ধ-বিগ্রহ, কিয়ামতের আলামত, নাশর-নশর, জান্নাত-জাহান্নামের বিবরণ ইত্যাদি।

লেখক তাঁর এই গ্রন্থের প্রতিটি আলোচনা কুরআন, হাদীস, সাহাবাগণের বর্ণনা, তাবেঈন ও অন্যান্য মনীষীদের দ্বারা সমৃদ্ধ করেছেন। ইবনে হাজার আসাকালানী (রহ), ইবনুল ইমাদ আল-হাম্বলী (র) প্রমুখ ইতিহাসবিদ এই গ্রন্থের প্রশংসা করেছেন। বদরুদ্দীন আইনী হানাফী (র) এবং ইবনে হাজার আসকালানী (রহ) গ্রন্থটির সার-সংক্ষেপ রচনা করেছেন। Read more

আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১০ম খন্ড

“আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া” প্রখ্যাত মুফাসসির ও ইতিহাসবেত্তা আল্লামা ইবনে কাসীর (রহ) প্রণীত একটি সুবৃহৎ ইতিহাস গ্রন্থ। এই গ্রন্থের সৃষ্টির শুরু তথা আরশ, কুরসী, নভোমন্ডল, ভূমন্ডল প্রভৃতি এবং সৃষ্টির শেষ তথা হাশর-নশর, কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম প্রভৃতি সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে।

এই গ্রন্থটি ১৪টি খন্ডে সমাপ্ত হয়েছে। আল্লামা ইবনে কাসীর (র) তাঁর এই গ্রন্থকে তিনভাগে ভাগ করেছেন।

প্রথম ভা: আরশ, কুরসী, ভুমন্ডল, নভোমন্ডল এতদুভয়ের অন্তর্বতী সব কিচু তথা ফেরেশতা, জিন, শয়তান, আদম (আ)-এর সৃষ্টি, যুগে যুগে আবির্ভূত নবী-রাসুলগণের ঘটনা, বনী ইসরাঈল, ইসলাম-পূর্ব যুগের রচনাবলী এবং মুহাম্মাদ (সা)-এর জীবন-চরিত আলোচনা করা হয়েছে।

দ্বিতীয় ভাগ : রাসুল (সা)-এর ওফাতকাল থেকে ৭৬৮ হিজরী সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ কালের বিভিন্ন ঘটনা এবং মনীষীদের জীবনী আলোচনা করা হয়েছে।

তৃতীয়ভাগ : ফিতনা-ফাসাদ, যুদ্ধ-বিগ্রহ, কিয়ামতের আলামত, নাশর-নশর, জান্নাত-জাহান্নামের বিবরণ ইত্যাদি।

লেখক তাঁর এই গ্রন্থের প্রতিটি আলোচনা কুরআন, হাদীস, সাহাবাগণের বর্ণনা, তাবেঈন ও অন্যান্য মনীষীদের দ্বারা সমৃদ্ধ করেছেন। ইবনে হাজার আসাকালানী (রহ), ইবনুল ইমাদ আল-হাম্বলী (র) প্রমুখ ইতিহাসবিদ এই গ্রন্থের প্রশংসা করেছেন। বদরুদ্দীন আইনী হানাফী (র) এবং ইবনে হাজার আসকালানী (রহ) গ্রন্থটির সার-সংক্ষেপ রচনা করেছেন। Read more

আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া ৮ম খন্ড

“আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া” প্রখ্যাত মুফাসসির ও ইতিহাসবেত্তা আল্লামা ইবনে কাসীর (রহ) প্রণীত একটি সুবৃহৎ ইতিহাস গ্রন্থ। এই গ্রন্থের সৃষ্টির শুরু তথা আরশ, কুরসী, নভোমন্ডল, ভূমন্ডল প্রভৃতি এবং সৃষ্টির শেষ তথা হাশর-নশর, কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম প্রভৃতি সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে।

এই গ্রন্থটি ১৪টি খন্ডে সমাপ্ত হয়েছে। আল্লামা ইবনে কাসীর (র) তাঁর এই গ্রন্থকে তিনভাগে ভাগ করেছেন।

প্রথম ভা: আরশ, কুরসী, ভুমন্ডল, নভোমন্ডল এতদুভয়ের অন্তর্বতী সব কিচু তথা ফেরেশতা, জিন, শয়তান, আদম (আ)-এর সৃষ্টি, যুগে যুগে আবির্ভূত নবী-রাসুলগণের ঘটনা, বনী ইসরাঈল, ইসলাম-পূর্ব যুগের রচনাবলী এবং মুহাম্মাদ (সা)-এর জীবন-চরিত আলোচনা করা হয়েছে।

দ্বিতীয় ভাগ : রাসুল (সা)-এর ওফাতকাল থেকে ৭৬৮ হিজরী সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ কালের বিভিন্ন ঘটনা এবং মনীষীদের জীবনী আলোচনা করা হয়েছে।

তৃতীয়ভাগ : ফিতনা-ফাসাদ, যুদ্ধ-বিগ্রহ, কিয়ামতের আলামত, নাশর-নশর, জান্নাত-জাহান্নামের বিবরণ ইত্যাদি।

লেখক তাঁর এই গ্রন্থের প্রতিটি আলোচনা কুরআন, হাদীস, সাহাবাগণের বর্ণনা, তাবেঈন ও অন্যান্য মনীষীদের দ্বারা সমৃদ্ধ করেছেন। ইবনে হাজার আসাকালানী (রহ), ইবনুল ইমাদ আল-হাম্বলী (র) প্রমুখ ইতিহাসবিদ এই গ্রন্থের প্রশংসা করেছেন। বদরুদ্দীন আইনী হানাফী (র) এবং ইবনে হাজার আসকালানী (রহ) গ্রন্থটির সার-সংক্ষেপ রচনা করেছেন। Read more

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফতোয়া সংকলন

 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

﴿ وَمَآ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ إِلَّا رِجَالٗا نُّوحِيٓ إِلَيۡهِمۡۖ فَسۡ‍َٔلُوٓاْ أَهۡلَ ٱلذِّكۡرِ إِن كُنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ ٤٣ ﴾ [النحل: ٤٣]

“তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষই প্রেরণ করেছিলাম; তোমরা যদি না জান, তবে জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞাসা কর।” – (সূরা আন-নাহল: ৪৩)।

মুসলিম পুরুষ ও নারীর জীবনে এমন অনেক জটিল সমস্যার সৃষ্টি হয়, যে ব্যাপারে শরী‘য়তের বিধান জানা আবশ্যক হয়ে পড়ে। আর জ্ঞানীদের নিকট প্রশ্ন করা এবং তাদের নিকট ফতোয়া জানতে চাওয়াটা জ্ঞান অর্জনের অন্যতম চাবিকাঠি।

এই চিন্তা থেকেই সম্মানিত আলেম ও শাইখগণের নির্ভরযোগ্য ফতোয়াসমূহ থেকে একটি সহজ সংকলন তৈরি করা হয়েছে , যা সমাজের বিভিন্ন দল ও গোষ্ঠী গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। তার মাঝে ছাত্র-ছাত্রীদের দলটি সমাজের মধ্যে একটি বড় অংশ হওয়ার কারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট শর‘য়ী ফতোয়া সম্পর্কে অনেকেরই জানা প্রয়োজন।

আর এসব পৃষ্ঠার মধ্যে আমি ঐসব ফতোয়া থেকে বাছাইকৃত অংশ সংকলন করা হয়েছে।   এবং সেগুলোর উৎস ও তথ্যসূত্রের প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে। এটি সংকলন করেছেন মিরফাত বিনত কামিল আবদিল্লাহ উসরা। Read more

প্রচলিত জাল হাদীস

আল্লাহ তাআলা ইসলামকে সর্বশেষ ও চুড়ান্ত দ্বীন ও শরীয়ত হিসেবে মনোনীত করেছেন। ক্বিয়ামাত পর্যন্ত এই শরীয়তের বিধানই চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তাই এই দ্বীনে ভিত্তিগুলোও ক্বিয়ামাত পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে। কেননা এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আল্লাহ তাআলা নিজে নিয়েছেন। যদিও ইসলামের শত্রুগণ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ইলমে হাদীসকে বিকৃত করার চেস্টা করেছে। তারা রাসূল (সা) থেকে এমন সব কথা প্রচার করেছে যা তাঁর থেকে প্রমাণিত নয়। কতক ধর্মাদ্রোহী তো অসংখ্যা উদ্ভট, ভিত্তিহীন ও বাতিল কথাকে হাদীসে রাসুল (সা) নামে মানুষের মাঝে চালিয়ে দেওয়ার অপচেস্টা করেছে। কিন্তু আল্লাহর রহমতে একদল নিবেদিত প্রাণ মুহাদ্দিস হাদীস যথাযথভাবে সংরক্ষণ করেচেন। যারা দাজ্জাল ও মিথ্যুকদের মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্ভট ও জালিয়াতি মানুষের সামনে প্রকাশ করে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে আরবীতে অসংখ্যা কিতাব লিখা হয়েছে। মুহাক্কিকগণ এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। কিন্তু বাংলা ভাষায় এরকম বই খুবই কম। অধুনা শাইখ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ) রচিত “সিলসিলাহ যইফাহ ওয়াল মাওযুআহ” এর বাংলা অনুবাদ বের হয়েছে। যেগুলো আমরা প্রকাশ করেছি।  বিভিন্ন মুহাদ্দিসের বই থেকে সংকলন করে কিছু প্রচলিত জাল হাদীস সম্পর্কে এই ছোট কিতাবটি মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মালেক-এর তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় রচিত। Read more

নবীদের কাহিনী বই ডাউনলোড

আশরাফুল মাখলুকাত মানব জাতির কল্যাণে প্রেরিত মানব জাতির বিধান সমূহ প্রচার ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আল্লাহ স্বীয় অনুগ্রহে আদম (আঃ) থেকে মুহাম্মাদ (সাঃ) যুগে যুগে যে অসংখ্য নবী রাসূল প্রেরন করেছেন তাদের মধ্য থেকে মাত্র ২৫ জন নবীর নাম আল্লাহ পবিত্র কুরআনে গুরুত্ত্বের সাথে উল্ল্যেখ করেছেন এবং সত্যের পথে তাঁদের দৃঢ়চিত্ত্ব সংগ্রামের হৃদয়গ্রাহী সংগ্রামের বর্ণনা করে মানবতার সামনে সত্য ন্যায় ও সুন্দরের অনুপম মানদণ্ড উপস্থাপন করেছেন। এসব কাহিনী কেবল চিত্ত বিনোদনের খোরাক নয়, বরং এক অবিরাম বিচ্ছুরিত আলোকধারা,  যার প্রতিটি কণায় বিকশিত হয় মানবতার সর্বোচ্চ নমুনা। নবী ও রাসূলগণের জীবনালেখ্য জানা ও তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা আমাদের মুসলমানদের অপরিহার্য কর্তব্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি বাংলাদেশে  বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস খুবই দুর্লভ। তাই বিষয়টির গুরুত্ত্ব উপলব্ধি করে মাননীয় লেখক প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব এই মুল্যবান ইতিহাসটি লিখেন। Read more

তাহকীক সুনান ইবনে মাজাহ সম্পূর্ণ ডাউনলোড

সুনান ইবনে মাজাহ প্রসিদ্ধ ছয়টি হাদীস গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম। হাদীস শাস্ত্রে ইমাম ইবনে মাজাহর অন্যতম অবদান এটি। ইমাম ইবন মাজাহ (রহ) সারাজীবন গভীর সাধনা, নিরবচ্ছিন্ন অধ্যবসায় ও ঐকান্তিক অভিনিবেশের মাধ্যমে হাদীস সংগ্রহ ও লিপিবদ্ধ করেন। এ গ্রন্থে অনেক মূল্যবান হাদীস রয়েছে যা অন্য কুতুবে সিত্তাহতে নেই। গ্রন্থটিতে ইমাম ইবনে মাজাহ ফিকহী মাসআলার তরতীব অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছেন।  হাদীসের বিন্যাস পদ্ধতি অনুপম ও অনন্য সাধারণ। সেই সাথে কোন পুন:পুন: হাদীস উল্লেখ করা হয়নি। এর বাব (পরিচ্ছেদ) গুলো দীর্ঘ নয়। এই গ্রন্থটির পূর্ণাঙ্গ তাহকীক সহ অনুবাদ ও প্রকাশ করেছে তাওহীদ পাবলিকেশন্স। সবগুলো খন্ড একত্রিত করে জিপ (zip) আকারে ডাউনলোড লিংক দেয়া হয়েছে।

Read more