সাম্প্রতিক বিষয়াবলী

Category Archives: প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নোত্তরে রাসূল (সা)-এর জীবনী (পর্ব-৮)

ইসলামের চরমশত্রু আবু জাহেল প্রশ্ন: আবু জাহেল কে ? উত্তর: আবু জাহেল ছিলেন কুরাইশদের বড় নেতা। প্রশ্ন: তার প্রকৃত নাম কি ছিলো ? তাকে আবু জাহেল বলা হয় কেনো ? উত্তর : তার প্রকৃত নাম ছিল উমর বিন হিশাম, তার উপনাম ছিল আবুল হাকাম। কিন্তু ইসলামের প্রতি তার শত্রুতাপূর্ণ আচরণের জন্য তাকে আবু জাহেল বলা হতো। প্রশ্ন: আবু জাহেল কেনো রাসূলুল্লাহ (সা)-এর বিরোধিতা করতেন ? উত্তর : কারণ, রাসূল (সা) মুর্তিপূজাকে ঘৃণা করতেন এবং আল্লাহর একত্ববাদের (তাওহীদের) দাওয়াত দিতেন। Read More »

প্রশ্নোত্তরে রাসূল (সা)-এর জীবনী (পর্ব-৭)

ইসলাম গ্রহণকারীদের উপর কুরাইশদের নির্যাতন প্রশ্ন: রাসূল (সা)-এর নবুওয়াতের চতুর্থ বছরের শুরুর দিকে তার দাওয়াতী কাজে ব্যাঘাত ঘটানোর জন্য কুরাইশরা কী সিদ্ধান্ত নেয়? উত্তর: তারা রাসূল (সা)-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ও নওমুসলিমদের ওপর নানা ধরণের অত্যাচার নির্যাতন করার সিদ্ধান্ত নেয়। আর এজন্য আবু লাহাবের নেতৃত্ত্বে তারা ২৫ সদস্যের কমিটি গঠন করে এবং আপোষ-মীমাংসার জন্য তারা রাসূলকে পার্থিব-সুখের প্রলোভন দেখায়। প্রশ্ন: মক্বার কুরাইশ নেতারা হজ্ব যাত্রীদের কাছে কী প্রচান করে বেড়াচ্ছিল ? উত্তর: হজ্জ্বের মৌসুমে রাসূল (সা)-কে তার দাওয়াতী কাজে ব্যাঘাত ঘটানোর জন্য তার হজ্জযাত্রীদের মাঝে প্রচার করতে লাগলো যে, মুহাম্মাদ (সা) একজন যাদুকর, সে পিতা-পুত্রে, ভাইয়ে-বোনে এবং স্বামী-স্ত্রীতে বিচ্ছেদ ঘটাতে খুবই পারদর্শী। Read More »

ফাত্ওয়া কী ও কেন ?

ফাত্ওয়া কী ও কেন ? লেখক:- ড. মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ অনুলিখন: উমর ফাত্ওয়া ও ফাতাওয়া শব্দ নিয়ে শংকা ও সংশয় তৈরি হয়েছে আমাদের একদল বুদ্ধিজীবীর মধ্যে। ফাত্ওয়া সম্পর্কে যথাযথ ধারনা না থাকার কারণেই মূলত: একদল পণ্ডিত (?) এ বিষয়ে বিবাদে লিপ্ত হচ্ছেন। সত্যিকথা হচ্ছে, একজন ঈমানদানর মুসলিমের অন্তরে ফাত্ওয়া নিয়ে সংশয় ও অনিহা থাকা ঈমানের দুর্বলতার পরিচায়ক। ফাত্ওয়া নিয়ে সংশয়, অনিহা ও উপহাসমূলক মন্তব্য করা ঈমান বিনষ্টকারী অপরাধের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত। কেননা ফাত্ওয়া অহি নির্ভর জ্ঞান ও বিশ্ব জাহানের প্রতিপালক মহান আল্লাহর নির্দেশিত বিধানের সাথে সম্পৃক্ত বিষয়। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা’লা এভাবে বলেছেন : قُلْ أَبِاللَّهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنْتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ لا تَعْتَذِرُوا قَدْ كَفَرْتُمْ بَعْدَ إِيمَانِكُمْ “বলুন, তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর নিদর্শনসমূহ ও তার রাসূলের সাথে উপহাস করছো? আর ওযর পেশ করোনা, এভাবে তোমরা ঈমানের পর কুফরিতে লিপ্ত হয়ে গেলে।” (সূরা আত্ তাওবাহ : ৬৫-৬৬) Read More »

প্রশ্নোত্তরে রাসূল (সা)-এর জীবনী (পর্ব-৬)

প্রশ্নোত্তরে রাসূল (সা)-এর জীবনী (পর্ব-৬)   চাঁদ দ্বিখন্ডিত করার মুজিযা প্রশ্ন: মু’জিযা কী ? উত্তর : মু’জিযা হচ্ছে এক অলৌকিক বিষয় যা শুধুমাত্র নবীগণই করতে সক্ষম। তারা নিজেরা তা করতে পারে না বরং আল্লাহ যখন ইচ্ছা করেন তখন তাদেরকে মু’জিযা প্রদর্শনের শক্তি দান করেন। মু’জিযা হচ্ছে নবুওয়াতের একটি নিদর্শন।   প্রশ্ন: রাসূল (সা)-এর প্রধান মু’জিযা কি ? উত্তর : আল-কুরআন হচ্ছে রাসূল (সা)-এর প্রদান মু’জিযা, যা মানবজাতির জন্য চিরন্তন ঐশী বাণী।   প্রশ্ন: রাসূল (সা) অন্য কোন মু’জিযা দেখিয়েছেন ? উত্তর : হ্যাঁ, তিনি আরো অনেক মু’জিযা দেখিয়েন কখনও প্রয়োজনে আবার কখনও মানুষের দাবীতে।   প্রশ্ন: মক্কার কাফিররা রাসূলের কাছে কোন মু’জিযার দাবি করেছিল ? উত্তর : তারা রাসূলকে চাঁদ দ্বি-খন্ডিত করার দাবি তুলেছিল ।   প্রশ্ন: কাফিরদের নিয়মিত পীড়াপীড়িতে রাসূল (সা) কী করলেন ? উত্তর: তিনি তাদেরকে মু’জিযা প্রদর্শনের জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলেন । Read More »

প্রশ্নোত্তরে রাসূল (সা)-এর জীবনী (পর্ব-৫)

প্রশ্নোত্তরে রাসূল (সা)-এর জীবনী (পর্ব-৫)   গোপনে  ইসলাম প্রচার   প্রশ্ন : শুরুতে ইসলামের প্রচার কীভাবে চলতে লাগলো ? উত্তর: মক্কার কাফিররা যেন প্রথমেই ইসলামের প্রতি ক্রুদ্ধ না হয়, সেজন্য শুরুতে ইসলামের প্রচার গোপনেই ছিল।   প্রশ্ন :  ঐ সময় কয় ওয়াক্ত করে সালাত আদায় করা হতো ? উত্তর: প্রাথমিক অবস্থায় দুই রাক’আত করে সকাল ও সন্ধ্যায় সালাত আদায় করা হতো।   প্রশ্ন: রাসূল (সা)-কে সালাত শিক্ষা দিলেন কে ? উত্তর: জিবরাঈল (আ) রাসূলকে ওযূ ও সালাত শিক্ষা দেন।   প্রশ্ন: ইসলামের সূচনালগ্নে সর্বমোট কতজন লোক ইসলাম গ্রহণ করেন ? উত্তর: প্রায় চল্লিশ জন লোক ইসলাম গ্রহণ করেন।   প্রশ্ন: গোপনে ইসলাম প্রচার কতদিন চলেছিল ? উত্তর : তিন বছর।   প্রশ্ন:  গোপনে ইসলাম প্রচার চলাকালে মুসলিমরা কোথায় মিলিত হতো ? উত্তর: মুসলিমরা “দারুল আরকাম” নামক স্থানে গিয়ে মিলিত হতো। সেখানে তারা রাসূল (সা)-এর কাছে ওহীর শিক্ষা গ্রহণ করতেন। Read More »

প্রশ্নোত্তরে রাসূল (সা)-এর জীবনী (পর্ব-৪)

প্রশ্নোত্তরে রাসূল (সা)-এর জীবনী (পর্ব-৪) রাসূল (সা)-এর উপর ওয়াহী নাযিল   প্রশ্ন: ওয়াহীর সূচনালগ্নে রাসূল (সা) কোথায় যেতেন ? উত্তর: তিনি হেরা গুহায় নির্জন স্থানে গিয়ে ইবাদাতের মধ্যে সময় কাটাতেন।   প্রশ্ন: ‘হেরা গুহা’ কোথায় অবস্থিত ? উত্তর : এটি মক্কা থেকে দুই মাল দূরে হেরা পর্বতে অবস্থিত। এ হেরা পর্বতকে নূরের পাহাড়ও বলা হয়।   প্রশ্ন: হেরা গুহার আয়তন কত ? উত্তর : এটি দৈর্ঘ্য ৪ গজ এবং প্রস্থ ১.৭৫ গজ।   প্রশ্ন : তিনি কেনো সেখানে গমন করতেন ? উত্তর : সৃষ্টি জগতের ওপর ধ্যান করতে যেতেন। অর্থ্যাত সেখান গিয়ে আল্লাহর ইবাদাতে মশগুল থাকতেন।   প্রশ্ন: তিনি সেখানে কতদিন ছিলেন ? উত্তর : কয়েক রাত তিনি সেখানে অতিবাহিত করেন। Read More »

মীলাদুন্নবী ও জন্ম দিনের সিয়াম পালন করা

মীলাদুন্নবী ও জন্ম দিনের সিয়াম পালন করা   প্রশ্ন : মীলাদুন্নবীর দিন সিয়াম পালন করা কি বৈধ, যেমন সহীহ মুসলিম, নাসায়ী ও আবু দাউদে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সোমবার দিনের সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি বলেন : এ দিন আমি জন্ম গ্রহণ করছি… এ হাদীসের ভিত্তিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তেবায় কোন ব্যক্তির নিজের জন্ম দিনে সিয়াম পালন করা কি বৈধ ? আশা করছি বিষয়টি স্পষ্ট করবেন।   উত্তর : আল-হামদুলিল্লাহ প্রথমত : তিরমিযীতে ইমাম মুসলিম আবু কাতাদা আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সোমবার দিনের সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি বলেন : “এ দিন আমি জন্ম গ্রহণ করেছি এবং এ দিনেই আমার উপর ওহি নাযিল করা হয়েছে।” মুসলিম : (১১৬২) ইমাম তিরমিযি আবু হুরায়রা -রাদিআল্লাহু আনহু- থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : “সোমবার ও বৃহস্পতিবার আমল পেশ করা হয়, আমি চাই সিয়াম অবস্থায় আমার আমল পেশ করা হোক।” তিনি হাদিসটি হাসান বলেছেন। আল-বানি সহীহ তিরমিযীতে হাদিসটি সহীহ বলেছেন। উপরের বিশুদ্ধ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্মের শোকর আদায় কল্পে সোমবার দিন সিয়াম পালন করেছেন। আবার এ দিনের ফজিলতের কারণেও তিনি সিয়াম পালন করেছেন, যেমন এ দিনেই তার উপর ওহি নাযিল করা হয়েছে এবং দিনেই বান্দার আমল আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয়, তাই তিনি পছন্দ করেন, তার আমল সিয়াম অবস্থায় পেশ করা হোক। অতএব সোমবার দিন সিয়াম পালন করার কয়েকটি কারণের একটি কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম। Read More »

মীলাদুন্নবী বিদআত সমর্থনকারীর প্রতিবাদ

মীলাদুন্নবী বিদআত সমর্থনকারীর প্রতিবাদ শাইখ মুহাম্মদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ অনুবাদ : সানাউল্লাহ নজির আহমদ সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া প্রশ্ন : নিম্নের বিষয়গুলোর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি : বিষয়টি তর্ক বরং ঝগড়ার রূপ নিয়েছে, যারা বলে মীলাদুন্নবী বিদআত এবং যারা বলে মীলাদুন্নবী বিদআত নয় উভয় পক্ষের মধ্যে। যারা বলে মীলাদুন্নবী বিদআত, তাদের দলিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে অথবা সাহাবাদের যুগে অথবা কোন একজন তাবেঈর যুগে এ মীলাদুন্নবী ছিল না। অপরপক্ষ এর প্রতিবাদ করে বলে : তোমাদের কে বলেছে, আমরা যা কিছু করব, তার অস্তিত্ব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে অথবা সাহাবাদের যুগে অথবা তাবীঈদের যুগে থাকা চাই। উদাহরণত আমাদের যুগে হাদিস শাস্ত্রের দু’টি শাখা “রিজাল শাস্ত্র” ও “জারহু ও তাদিল শাস্ত্র” ইত্যাদি বিদ্যমান, এগুলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে ছিল না, এ জন্য কেউ এর প্রতিবাদ করেনি। কারণ, নিষিদ্ধ হওয়ার মূল যুক্তি হচ্ছে নতুন আবিষ্কৃত বিদআত শরী‘আতের মূলনীতি বিরোধী হওয়া, কিন্তু মীলাদুন্নবী বা মীলাদ মাহফিল কোন মূলনীতি বিরোধী ? অধিকাংশ তর্ক এ নিয়েই সৃষ্টি হয়। তারা আরও দলিল পেশ করে যে, ইবন কাসির -রাহিমাহুল্লাহ- মীলাদুন্নবী সমর্থন করেছেন। দলিলের ভিত্তিতে বিশুদ্ধ কোনটি ? উত্তর : আল-হামদুলিল্লাহ প্রথমত : প্রথমত জানা প্রয়োজন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম তারিখ নির্দিষ্টভাবে নির্ণয় সম্ভব হয়নি, এ ব্যাপারে আলেমদের বিভিন্ন অভিমত রয়েছে। ইবন আব্দুল বারর মনে করেন, তিনি রবিউল আউয়াল মাসের দুই তারিখে জন্ম গ্রহণ করেছেন। ইবন হাজম প্রাধান্য দেন রবিউল আউয়াল মাসের আট তারিখ। কেউ বলেছেন রবিউল আউয়াল মাসের দশ তারিখ, যেমন আবু জাফর বাকের। কেউ বলেছেন রবিউল আউয়াল মাসের বারো তারিখ, যেমন ইবন ইসহাক। কেউ বলেছেন, তিনি রমযান মাসে জন্ম ... Read More »

আশুরার রোজার হুকুম

আশুরার রোজার হুকুম লেখক : জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের সম্পাদনা : আবুল কালাম আযাদ আনোয়ার প্রশ্ন: মহররমের দশ তারিখে রোজা রাখার ফজিলত এবং এর বিধান কি ?   উত্তর: মুহাররম মাস হিজরি সনের প্রথম মাস। কিন্তু মুহাররম মাস শুধু প্রথম মাস হিসেবেই তাৎপর্যপূর্ণ তা নয়, বরং এ মাসের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে ইসলামী ইতিহাসের অসংখ্য ঘটনাবলী এবং সংঘটিত হয়েছে আরো অনেক জীবন্ত কাহিনী যা মানুষের হৃদয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে জাগ্রত করে ঈমানী চেতনা। তাই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মাসের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। এ মাসে রোজা পালনের প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। এ মাসে রোজা রাখার ফজিলত: নয়, দশ অথবা দশ, এগারো তারিখে রোজা পালন করা। তবে মনে রাখতে হবে আশুরা উপলক্ষে একমাত্র রোজা পালন ছাড়া অন্য কোন এবাদত বন্দেগী করা সম্পূর্ণ বিদআত। তাই যে কোন ধরনের আচার অনুষ্ঠান মাহফিল সম্পূর্ণ বর্জনীয়। ইসলামের পূর্বে আশুরার রোজা রাখা ফরজ ছিল, কিন্তু যখন রমজানের রোজা ফরজ করা হলো তখন আশুরার রোজা ফরজের বিধান রহিত করা হলো এবং ঐ দিন রোজা রাখা সুন্নত হিসেবে বিবেচিত হলো। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার রোজা রাখার বিভিন্ন ফজিলত বর্ণনা করেন। Read More »

মৃত ব্যক্তির কুরবানী কি শারী‘আত সম্মত ?

মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানী দেয়া কি শারী‘আত সম্মত? আমাদের সমাজে মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানী করা যাবে কি যাবে না মর্মে অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন। অতএব এ বিষয়ে সংক্ষেপে কিছু আলোচনা করা প্রয়োজন মনে করছি। ইসলামী শারী‘আতের একটি নীতি হচ্ছে এই যে, যে কোন মুসলিম ব্যক্তি সাওয়াবের আশায় ইবাদাত হিসেবে কিছু করতে চাইলে অবশ্যই যা করতে চাচ্ছে তার সমর্থনে কুরআনের আয়াত অথবা সহীহ্ হাদীস থেকে দলীল থাকতে হবে। যদি সহীহ্ দলীল থাকে তাহলে তা করা যাবে আর যদি না থাকে তাহলে তা করা যাবে না। আর দলীল না থাকলেই তা নবাবিস্কার এবং বিদ‘আত হিসেবে গণ্য হবে। এ রকমই একটি বিষয় হচ্ছে মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানী করা যাবে কি যাবে না এ বিষয়টি। আমরা যদি‘ এর সমর্থনে দলীল অনুসন্ধান করতে যায় তাহলে দেখব যে, মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানী করা যাবে মর্মে কোন সহীহ্ দলীল পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি মৃত ব্যক্তির সাথে কুরবানীর কোন সম্পৃক্ততাই নেই। Read More »